আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ অনলাইনে ক্লাস চালু হলে মার্কিন মুলুকে থেকে কাজ নেই। দেশে ফিরে যাক ভিনদেশের পড়ুয়ারা। ‘‌ফতোয়া’‌ জারি করার পরই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে হলফনামা দাখিল করেছে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও এমআইটি। মার্কিন প্রশাসনের এই সিদ্ধান্ত খারিজের আবেদন জানানো হয়েছে বোস্টনের একটি আদালতে। জানা গিয়েছে, আদালত সাময়িক স্থগিতাদেশ দিলে প্রশাসনের অভিবাসন নীতি ১৪ দিনের জন্য খারিজ করা হতে পারে। আদালতে দুই বিশ্ববিদ্যালয় জানিয়েছে, প্রশাসনের নতুন নির্দেশ আইন–বিরুদ্ধ। গত মার্চ থেকে মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটির নিয়ম মেনে এসেছে হার্ভার্ড ও এমআইটি। এতে ভিনদেশের পড়ুয়ারা আমেরিকাতেই থাকতে পেরেছেন। কিন্তু কোনও পূর্বাভাষ ছাড়াই গত ৬ জুলাই মার্কিন অভিবাসন ও শুল্ক দপ্তর জানাচ্ছে, এফ–১ কিংবা এম–১ ভিসা নিয়ে এ দেশে থেকে সম্পূর্ণ অনলাইন কোর্স করা যাবে না। হার্ভার্ড ক্রিমসন–এর রিপোর্ট অনুযায়ী, হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট লরেন্স ব্যাকাউ বলেন, ‘‌অমানবিক পাবলিক পলিসি এবং আইন–বিরুদ্ধ। আমরা এই মামলাটি অবশ্যই চালিয়ে যাব। যাতে প্রত্যপর্ণের আশঙ্কা ছাড়াই ভিনদেশের পড়ুয়া পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারেন।’ ট্রাম্প সরকারের এই সিদ্ধান্ত যদি কার্যকর হয়, তাহলে সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়বেন ভারতীয় পড়ুয়ারা। ২০১৭ এবং ২০১৮ সালের রিপোর্টেই স্পষ্ট, চীনের পর মার্কিন মুলুকই পছন্দ ভারতীয় পড়ুয়াদের। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও এমআইটি–র দাবি, মার্কিন প্রশাসন চাইছে, এই করোনা আবহেই খুলে যাক বিশ্ববিদ্যালয়গুলি। পড়ুয়ারা ক্লাসে গিয়েই পড়াশোনা করুক। যা প্রেসিডেন্টের কথা স্পষ্ট। কিন্তু স্বাস্থ্যবিধি কীভাবে তৈরি হবে, তা নিয়ে এখনও দ্বন্দ্বে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ফলত পড়ুয়াদের মধ্যে হৈ চৈ তুলতেই এমন ভয়ঙ্কর সিদ্ধান্ত নিল ট্রাম্প সরকার!‌     ‌   

জনপ্রিয়

Back To Top