Cattle Toilet: বাথরুমের দরজা খুলে মলমূত্র ত্যাগ করছে গবাদি পশু, আবার ফ্লাশও টানছে  

আজকাল ওয়েবডেস্ক: গবাদি পশুদের অভ্যাসই হল যেখানে সেখানে মল মূত্র ত্যাগ করা। পিচের রাস্তা, বাড়ির উঠোন কিছুই বাছবিচার করে না তারা। এই বর্জ্য জমে জমে বিষাক্ত গ্রিন হাউস গ্যাসের সৃষ্টি করে। এর প্রতিকার করতে অসম্ভবকে সম্ভব করে ফেলেছেন বিজ্ঞানীরা। গরু-বাছুররা আর যেখানে সেখানে বর্জ্য ত্যাগ করছে না, রীতিমতো বাথরুমে যাচ্ছে। এমনকী কাজ শেষ হলে ফ্লাশও টানছে! 
বিশ্বাস না হলেও সত্যি। জার্মানির রিসার্চ ইনস্টিটিউট ফর ফার্ম অ্যানিম্যাল বায়োলজি (এফবিএন) এবং নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা যৌথভাবে এই কীর্তি করে দেখিয়েছেন। এই সংক্রান্ত এক গবেষণা পত্র ইতিমধ্যেই ‘কারেন্ট বায়োলজি’ নামক আন্তর্জাতিক গবেষণা পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। 

আরও পড়ুন: ৭ টাকায় ১০০ কিমি পাড়ি! পেট্রোলের অগ্নিমূল্যের দিনে কিনে ফেলুন অটাম ১.০  


সাধারণ ধারণা হল গবাদি পশুদের বর্জ্য ত্যাগ করার বিষয়ে কোনও নিয়ন্ত্রণ নেই। একেবারে ছোট মানবশিশুর মতোই এ কাজ করে ফেলে তারা। বিজ্ঞানীরা প্রমাণ করে দিয়েছেন যে এই ধারণা একেবারেই ভুল। ঠিকমতো ট্রেনিং দেওয়া হলে মানব শিশুদের চেয়ে আগে শৌচাগার ব্যবহারের অভ্যাস রপ্ত করতে পারে গবাদি পশুরা। জানা গেছে, গবেষকরা ‘মুলু ট্রেনিং’ নামক এক কৌশল ব্যবহার করেছেন। সুস্বাদু খাদ্যদ্রব্যের লোভ দেখিয়ে তাদের সঠিক স্থানে মলমূত্র ত্যাগ করতে শেখানো হয়। তার জন্য কীভাবে শৌচাগারের দরজা খুলতে হবে তাও শেখানো হয়। 
ঠিকমতো এই কাজ না করতে পারলে শাস্তির ব্যবস্থাও ছিল গরু-বাছুরদের জন্য। অনেকক্ষণ খাবার জল না দেওয়া, হালকা চড়চাপড় দেওয়া হত। তাতেই দিব্যি চৌখস হয়ে উঠেছে তারা।