আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ চলতি বছরের শেষেই কিংবা ২০২১ এর শুরুতে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন তৈরি করে ফেলবে আমেরিকা। ভীষণ রকম আশাবাদী শোনাচ্ছে আমেরিকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ অ্যালার্জি এবং সংক্রামক রোগের প্রধান উপদেষ্টা অ্যান্টনি ফাউচিকে। একদিন আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ‘‌২০২১ এর মধ্যেই করোনার ভ্যাকসিন হাতে আসবে।’‌ গোটা বিশ্ববাসীকে সেই ভ্যাকসিন যোগান দেবার আশ্বাসও দিয়েছেন ট্রাম্প। 
ইতিমধ্যেই রাশিয়া ও চীনে ভ্যাকসিন তৈরির কাজ শুরু হয়ে গেছে। ফাউচি আবার সন্দেহ প্রকাশ করে বলেছেন, ‘‌একটি ভ্যাকসিন সম্ভবত সপ্তাহ দুয়েকের মধ্যে অনুমোদনের পরিকল্পনা দেওয়া হয়েছে। তা আদৌ কার্যকর কিনা দেখতে হবে।’‌ 
উল্লেখ্য মডার্ণা–র তৈরি করা প্রতিষেধকের উপর পূর্ণ আস্থা রাখছেন ফাউচি এবং তাঁর টিম। গত সোমবারই প্রতিষেধক মানব দেহে প্রয়োগ করার পরীক্ষার তৃতীয় ধাপের কাজ শুরু করেছে সংস্থাটি। পরীক্ষামূলক প্রয়োগ যদি সফল হয়, তবে বিপুল মাত্রায় প্রতিষেধক তৈরির কাজ শুরু হয়ে যাবে বলে আশা ফাউচির।
তিনি বলেছেন, ‘‌আশা করব চীন ও রাশিয়া ভ্যাকসিন তৈরির পর সঠিকভাবে তার পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করবে। কারণ ভ্যাকসিন বাজারে ছাড়ার আগে শেষ ধাপ পর্যন্ত পরীক্ষা করা আবশ্যিক।’‌ 
কিছুদিন আগেই রাশিয়া দাবি করেছে, মস্কোর গামালিয়া ইনস্টিটিউটে যে ভ্যাকসিন তৈরির কাজ চলছে, তা ১০ আগস্টের মধ্যেই অনুমোদন পেয়ে যাবে। এমনকি সেপ্টেম্বরের মধ্যে বাজারে চলে আসবে। যদিও এই ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় পর্যায়ের পরীক্ষামূলক প্র‌য়োগ শুরু হয়েছে জুলাইয়ের দ্বিতীয় সপ্তাহে। সম্ভাবনা রয়েছে তৃতীয় পর্যায়ের পরীক্ষামূলক প্র‌য়োগের আগেই রাশিয়া এই ভ্যাকসিনের অনুমোদন দিয়ে দেবে। যদিও তৃতীয় পর্যায়ে অন্তত ১০০০ জনের উপর এই ভ্যাকসিন প্রয়োগ করার কথা। যাতে বোঝা যাবে এই ভ্যাকসিন করোনা প্রতিরোধে সক্ষম কিনা। 
চীনে আবার একটি ভ্যাকসিন দ্বিতীয় পর্যায়ের পরীক্ষামূলক প্রয়োগের পরেই সীমিত ব্যবহারের অনুমোদন পেয়ে গেছে। যা সেনাবাহিনীর উপর প্রয়োগ করা হবে। এখানেই ফাউচির দাবি, ‘‌মনে হয় না কোনও দেশ আমাদের আগে ভ্যাকসিন তৈরি করতে পারবে। সম্ভবত চলতি বছরের শেষ বা আগামী বছরের শুরুতেই একটি ভ্যাকসিন বাজারে নিয়ে আসব আমরা।’‌ 

 


 

জনপ্রিয়

Back To Top