আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ রোহিঙ্গা ইস্যু সমাধানে কোনও সমস্যাই হত না মায়ানমারের। উল্টে আরও ভাল করে সেটা মেটানো যেত। পরোক্ষে বাংলাদেশকেই দায়ী করেছেন মায়ানমারের প্রধান আনসাং সু চি। ভিয়েতনামের হ্যানয়ে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে প্রত্যাবর্তন চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও বাংলাদেশই দেরী করেছে। জানুয়ারিতে রোহিঙ্গাদের ফেরাতে প্রস্তুত হয়নি তাঁরা। 
একই সঙ্গে রয়টারের দুই সাংবাদিককে সাজা দেওয়ার সিদ্ধান্তকেও সমর্থন করেছেন তিনি। সু চি বলেছেন, যাঁরা এই সিদ্ধান্ত নিয়ে সরব হয়েছেন তাঁদের জেনে রাখা জরুরি কেউ আইনের উর্ধ্বে নয়। সাংবাদিক হলেও তিনি যদি দেশের বিরুদ্ধে গিয়ে কাজ করেন তাহলে তাঁর উপর আইনী পদক্ষেপ করা উচিত।  এই দুই সাংবাদিক পক্ষপাত দুষ্ট হয়ে খবর করেছিলেন। রোহিঙ্গা ইস্যুকে তাঁরা এমন ভাবে তুলে ধরেছিলেন যেন গণহত্যা করা হচ্ছে।

যা একেবারেই ঠিক ছিল না বলে দাবি করেছেন সু চি।
২০১৭–র অগস্টে প্রায় সাড়ে ছ’‌লাখ রোহিঙ্গা মুসলিম রাখাইন প্রদেশে পালিয়ে গিয়েছিল। মায়ানমারের একাধিক জায়গায় এই রোহিঙ্গারা হামলা চালিয়েছিল। এমনকী পুলিসকর্মীদের উপর হামলা চালিয়েছিল তারা। সেই হিংসা বন্ধ করতেই সেনা অভিযান চালিয়েছিল মায়ানমার। এই সেনা অভিযান চালানোর আগে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল, যাঁরা রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে গভীরে গিয়ে কাজ করছিলেন। রোহিঙ্গা প্রদেশে গিয়ে শান্তি আলোচনা শুরু করেছিলেন তাঁরা। রাখাইন প্রদেশের আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার প্রস্তুতি শুরু হয়েছিল। ইতিমধ্যেই ২০১৬ সালে হঠাই জঙ্গি হামলা শুরু হয়। সেই পরিস্থিতি মোকাবিলা করা জরুরি হয়ে পড়েছিল তখন। সেকারণেই সেনা অভিযান চালানো হয় রাখাইন প্রদেশে। সু চি র দাবি শুধু মসলিম বা রোহিঙ্গাদের স্বার্থ দেখাই সরকারের একমাত্র কাজ নয়। দেশের অন্যান্য সম্প্রদায়ের মানুষও যাতে নিরাপদে বাঁচতে পারে সেটাও নজরে রাখা জরুরি।  


 

জনপ্রিয়

Back To Top