আজকাল ওয়েবডেস্ক: ভারত এবং চীন গত দুই দশকে অনেকটাই ধনী হয়ে উঠলেও পৃথিবী এবং বিশ্ব–সমাজের প্রতি কোনও দায়িত্ব পালন করেনি। স্থানীয় সময় বুধবার বিশ্ব বাণিজ্য সংগঠন বা ডব্লুটিও–র কংগ্রেশনাল শুনানিতে এই ভাষাতেই দুই দেশকে ঠুকলেন আমেরিকার সেনেট ফিনান্স কমিটির চেয়ারম্যান তথা শীর্ষ সেনেটর চাক গ্রাসলি। ক্ষোভপ্রকাশ করেতিনি বলেন, ‘‌কেউ ভাবেনি উরুগুয়ে রাউন্ডই হবে শেষ বিশ্ব বাণিজ্য রাউন্ড। গত শেষ দুই দশক ধরে ভারত এবং চীনের মতো দেশ প্রচুর ধনী হয়েছে, কিন্তু তারা আরও দায়িত্ব নিতে অস্বীকার করেছে। উল্টে তারা নিজেদের উন্নয়নশীল দেশ বলে দাবি করে ভবিষ্যতের সমঝোতাগুলিতে নিজেদের জন্য বিশেষ বন্দোবস্তের দাবি করেছে।’ চাকের মতে ক্যামারুনের মতো দেশের সমান সুবিধা ভারত এবং চীনের পাওয়াটা রীতিমতো আজব ব্যাপার। এরপরই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি চাকের আবেদন, তিনি যেন এই অসাম্যতার দিকে নজর দেন এবং ডব্লুটিও–কে বাস্তবসম্মত এবং নৈতিক করে পুনর্গঠন করেন। প্রসঙ্গত, আমেরিকা চাইছে ডব্লুটিও–কে এমনভাবে সংস্কার করতে যাতে, যে সব দেশে অর্থনৈতিক উন্নয়ন অনেক বেশি হারে হচ্ছে, তারা যাতে বিশেষ এবং পৃথক বন্দোবস্তের সুবিধা বা এস অ্যান্ড ডি টি  না পায়, যেগুলি আসলে গরীব এবং উন্নয়নশীলের জন্যই নির্দিষ্ট করা থাকে। ভারত চাইছে এই ব্যাপারটা ডব্লুটিও–তে ভালোভাবে আলোচনা করে তারপর এস অ্যান্ড ডি টি নিয়ে যেন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ভারতের মতে, এটা এমনভাবে করা উচিত ডব্লুটিও–র সংস্কার প্রক্রিয়া এবং আবশ্যিকতার সঙ্গে যাতে মিশে না যায়।  গত বছরই ট্রাম্প উন্নয়নশীল দেশের সংজ্ঞা জানতে চেয়েছিলেন। তাঁর মূল লক্ষ্যই ছিল চীন, ভারত এবং তুরস্কের মতো দেশগুলি। চাক বলেছেন, যেহেতু ডব্লুটিও ২৫ বছরের পুরনো হয়ে গিয়েছে, সেহেতু নাটকীয় পরিবর্তন প্রয়োজন বলেই মনে করছেন ট্রাম্প।‌

জনপ্রিয়

Back To Top