আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ ব্রেক্সিট জট কাটাতে টেরেসা মে–র কনজার্ভেটিভ পার্টির সঙ্গে বিরোধী লেবার পার্টির সমঝোতা আলোচনা শুক্রবার ফের ব্যর্থ হল। আর একইসঙ্গে আরও বিপাকে পড়ে গেলেন ইংল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী মে। লেবার পার্টির নেতা জেরেমি করবিন পরে সাংবাদিকদের জানান, সমঝোতার জন্য যতদূর যাওয়া সম্ভব তাঁরা গিয়েছেন। কিন্তু দুপক্ষের মধ্যে নৈতিক ফাটলে সেতুবন্ধন সম্ভব হয়নি। পরে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠিতে করবিন লেখেন, মে সরকারের টালমাটাল দশায় যদি বা কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়াও হয়, সেগুলি তাঁর উত্তরসূরিরা মানতে নাও পারেন।
ইংলিশ পার্লামেন্টে চলা অচলাবস্থা কাটানোর লক্ষ্যে গত প্রায় দুমাস ধরে ব্রেক্সিট নিয়ে শাসক দল এবং বিরোধীদের আলোচনা চলছিল। পার্লামেন্ট ওই ব্রেক্সিট পরিকল্পনায় সর্বসম্মতিতে অনুমোদন দিলে এই অচলাবস্থা কাটার আশা করছিলেন সবাই। কিন্তু দীর্ঘায়িত বৈঠকে দুপক্ষই বিরক্ত হয়ে উঠছিল, যার ফলে এদিনের আলোচনা ব্যর্থ হয়ে যায়, মনে করছে কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞ মহল। কারণ, এর আগে তিনবার ব্রেক্সিট চুক্তি ব্রিটিশ পার্লামেন্টে খারিজ হয়েছে। তাই চতুর্থবার তা পাস হওয়ার সম্ভাবনা কম। 
বৃহস্পতিবারই স্থির হয়ে যায় জুনের শুরুতে ব্রিটেনে ভোটের পর, ফলাফল যাই হোক পদত্যাগ করবেন টেরেসা মে। কারণ, ব্রেক্সিট নিয়ে সমঝোতার মে–র তীব্র উদ্যোগে রীতিমতো ক্ষুব্ধ শাসক দল কনজার্ভেটিভ পার্টির চরম ব্রেক্সিটপন্থীরা। অন্যদিকে, লেবার পার্টির রিমেনপন্থী বা ইইউ–তে থাকতে ইচ্ছুক শাখা ক্রমাগত ব্রেক্সিট নিয়ে দ্বিতীয় প্রস্তাবের পক্ষে দাবি করে চলেছে। কিন্তু মে–র পরিকল্পনাকে মানার শর্তে করবিনের দ্বিতীয় প্রস্তাবের পক্ষে উৎসাহী না হওয়া তাঁকেও নিজের দলের কাছে ক্ষোভের পাত্র করে তুলেছে। প্রসঙ্গত, আগামী ৩১ অক্টোবর ইইউ থেকে পাকাপাকিভাবে বেরিয়ে যাওয়ার কথা ব্রিটেনের।
ছবি:‌ বিবিসি
        ‌

জনপ্রিয়

Back To Top