আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ তাঁর সফরের আগের রাত থেকেই জ্বলছিল ভারতের রাজধানী দিল্লি। আর যেদিন ভারতের মাটিতে পা রাখেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, সেদিন তা চরমে ওঠে। তাও ৩৬ ঘণ্টার ভারত সফরে গিয়ে মানবাধিকার প্রসঙ্গে নীরব থাকায় প্রেসিডেন্টের তুমুল সমালোচনা করলেন ডেমোক্র‌্যাটিক পার্টির প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী বার্নি স্যান্ডার্স।
ভারতে থাকাকালীন সেই খবরও পেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু বিষয়টিকে তখন ‘‌ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়’‌ এবং তা নিয়ে মোদির সঙ্গে কোনও আলোচনা করতে চান না বলে এড়িয়ে যান ট্রাম্প। এমনকি মোদি দেশের ধর্ম নিরপেক্ষতা রক্ষার জন্য অত্যন্ত সক্রিয় বলেও মন্তব্য করেন। তার পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় সময় বুধবার বার্নি টুইটারে লেখেন, ‘‌দুকোটিরও বেশি মুসলিমরা ভারতকে নিজেদের ঘর বলেন। মুসলিম–বিরোধী হিংসায় সেখানে ২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং জখম বহু। ট্রাম্প সেখানে বলছেন, ওটা ভারতের বিষয়। এটা আসলে মানবাধিকার প্রশ্নে নেতৃত্বের ব্যর্থতা।’‌
শুধু বার্নি স্যান্ডার্সই নয়, সেনেটর এলিজাবেথ ওয়ারেন সহ বেশ কয়েকজন সেনেটরও দিল্লির সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বুধবার। মার্কিন সেনেটের দেশভিত্তিক বৃহত্তম ককাস, সেনেট ইন্ডিয়া ককাসের দুই চেয়ারম্যান ডেমোক্র‌্যাটিক পার্টির মার্ক এলিজাবেথ ওয়ার্নার এবং জিওপি–র জন করনাইন বুধবার যৌথবিবৃতি দিয়ে বলেন, ‘‌দিল্লির সাম্প্রতিক হিংসায় আমরা উদ্বিগ্ন। আমাদের দীর্ঘমেয়াদি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক চালিয়ে যাওয়ার জন্য চিন্তার বিষয়গুলি নিয়ে খোলাখুলি আলোচনাকেই সমর্থন করব আমরা।’‌
স্থানীয় সময় বুধবারই আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষায় তৈরি মার্কিন কমিশন দিল্লির পরিস্থিতি এবং মুসলিমদের উপর হামলা নিয়ে তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করে কেন্দ্রীয় সরকারকে আবেদন করেছিল যাতে নাগরিকদের নিরাপত্তায় জাতিধর্ম নির্বিশেষে পদক্ষেপ করা হয়।
ছবি:‌ এএনআই  

জনপ্রিয়

Back To Top