আজকাল ওয়েবডেস্ক: ২০১৯ সালের পর ফের ইমপিচমেন্ট হল ডোনাল্ড ট্রাম্পের। ক্যাপিটল কাণ্ড তাঁরই উস্কানির ফল, এই অভিযোগে হল ইমপিচমেন্ট। ২০১৯ সালে ট্রাম্পের সমর্থনে গলা ফাটিয়েছিলেন প্রায় সমস্ত রিপাবলিকান সদস্য, কিন্তু এবার ১০ জন তাঁর বিরুদ্ধে ভোটদান করলেন। এর মধ্যে আছেন বর্ষীয়ান এবং প্রভাবশালী নেতারাও।
লিজ চেনেই: ইমপিচমেন্টের পক্ষে ভোটদাতা রিপাবলিকানদের মধ্যে সবথেকে সিনিয়র ইনিই। জো বাইডেনের জয়ের সিলমোহর দেওয়ার বিরুদ্ধে যে আওয়াজ উঠেছিল তার বিরুদ্ধেও সরব হয়েছিলেন লিজ। প্রাক্তন ভাইস প্রেসিডেন্ট ডিক চেনেইয়ের কন্যাটিকে রিপাবলিকান দলের নতুন তারকা বলে মনে করা হচ্ছে। 
অ্যান্থনি গঞ্জালেজ: ওহিওর রিপাবলিকান নেতাটি টুইটারে লেখেন, ‘৬ জানুয়ারি ক্যাপিটল কাণ্ডের সমস্ত ঘটনাবলি প্রত্যক্ষ করে এবং তা নিয়ে ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়াহীন হতে দেখে আমি ইমপিচমেন্টের পক্ষে ভোট দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিই।’
পিটার মেইজার: মিশিগানের কংগ্রেস সদস্য পিটার জানান তিনি ভারাক্রান্ত হৃদয়ে ইমপিচমেন্টের পক্ষে ভোট দিয়েছেন। সংবিধান অবমাননা করে এবং ক্যাপিটল কাণ্ডে উস্কানি দিয়ে শপথের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন ট্রাম্প, দাবি পিটারের। 
ড্যান নিউহাউস: বুধবারই হাউজে দাঁড়িয়ে ইমপিচমেন্টের পক্ষ নেওয়ার কথা জানান ওয়াশিংটনের রিপাবলিকান কংগ্রেস সদস্য। তাঁর এই ঘোষণায় ডজনখানেক ডেমোক্র্যাট প্রার্থী তুমুল হাততালি দেন। 
অ্যাডাম কিনজিঙ্গার: ড্যান নিউহাউসের মতো একই বক্তব্য ইলিনয়ের রিপাবলিকান নেতার। সেই সঙ্গে বরাবরের ট্রাম্প-সমালোচক হিসেবে পরিচিত তিনি। 
জন কাটকো: রিপাবলিকান নেতাদের মধ্যে ট্রাম্পের ইমপিচমেন্টের পক্ষে তিনিই সবার আগে ভোট দেওয়ার কথা বলেন। 
ফ্রেড আপটন: আপটন বলেন, ভোটচুরি নিয়ে অভিযোগের সপক্ষে কোনও প্রমাণ দাখিল করতে পারেননি ট্রাম্প। 
জেইম এরেরা বিউটলার: অতি দক্ষিণপন্থী হিসেবে কখনওই পরিচিত নন ইনি। ক্যাপিটল কাণ্ডের যা প্রমাণ পাওয়া গেছে তাতে ট্রাম্পের ইমপিচমেন্ট হওয়াই উচিত মনে করেন তিনি। 
টম রাইস: ট্রাম্প যেখানে প্রবল সমর্থন পান সেই নর্থ ক্যারোলিনার রিপাবলিকান সদস্য ইনি। 
ডেভিড ভালাদাও: গত নভেম্বরেই ডেমোক্র্যাটদের থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার আসনটি পুনর্দখল করেন ডেভিড।   

জনপ্রিয়

Back To Top