আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ ঘোষণা আগেই করেছিলেন। আর সেই ঘোষণা অনুযায়ী, মঙ্গলবার ৩১ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে ব্রিটিশ রাজ পরিবার ত্যাগ করলেন প্রিন্স হ্যারি এবং তাঁর স্ত্রী মেগান মের্কেল। এর আগে গত জানুয়ারিতেই এই সংক্রান্ত ঘোষণা করেছিলেন তাঁরা। অর্থাৎ এরপর থেকে আমআদমির মতোই জীবন কাটাবেন রাজ পরিবারের এই দুই সদস্য।  গত দু’‌মাস ঘোষণার পর থেকেই এত দিন কানাডায় ছিলেন তাঁরা। কিন্তু করোনার প্রকোপে কানাডা–মার্কিন সীমান্ত বন্ধ হওয়ার আগে ছেলে আর্চিকে নিয়ে সম্প্রতি ক্যালিফোর্নিয়া চলে আসেন হ্যারি–মেগান। তার পরই রবিবার তাঁদের নিরাপত্তার খরচ নিয়ে মুখ খোলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। টুইটারে ট্রাম্প লেখেন, ‘আমি দু’‌জনেরই বন্ধু ও গুণমুগ্ধ। জানা গিয়েছিল, ব্রিটেন ছেড়ে কানাডায় গিয়ে থাকবেন হ্যারি এবং মেগান। এখন আবার কানাডা ছেড়ে আমেরিকায় চলে এসেছেন ওঁরা। কিন্তু আমেরিকা ওঁদের নিরাপত্তার খরচ বহন করবে না। ওঁদের নিজেদেরই তা করতে হবে।’
তবে মার্কিন সরকারের কাছ থেকে তাঁরা কোনওরকম সাহায্যই চান না বলে পাল্টা বিবৃতি জারি করেছেন ডিউক ও ডাচেস অব সাসেক্স। তাতে বলা হয়েছে, নিজেদের নিরাপত্তার জন্য মার্কিন সরকারের দ্বারস্থ হওয়ার কোনও অভিপ্রায়ই নেই হ্যারি–মেগানের। বেসরকারিভাবে অন্য ব্যবস্থা হয়ে গিয়েছে ইতিমধ্যেই।
রাজ পরিবারের সদস্যপদ ত্যাগ করায় আর কোনও সুবিধা পাবেন না হ্যারি ও মেগান। ব্যবহার করতে পারবেন না রাজপরিচয়ও। 

জনপ্রিয়

Back To Top