আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ কোনও দিন লুকিয়ে বাঁচতে চাইনি। কিন্তু পরিস্থিতি আমাকে সেটা করতে বাধ্য করেছে। মৃত্যুর ফতোয়া মাথায় নিয়েই ৩০ বছর পরে মুখ খুললেন বিতর্কিত লেখক সলমন রুশদি। এএফপিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রুশদি বলেছেন, যখন আমার বিরুদ্ধে মৃত্যুর ফতোয়া জারি করা হয়েছিল তখন আমার বয়স ছিল ৪১। আর এখন আমার বয়স ৭১। গত ১৩ বছর ধরে তেহরান সরকারের জারি করা মৃত্যুর ফতোয়ার ফাঁসে আটকে রয়েছে জীবন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অবশ্য অনেকটাই বদলেছে জীবন।’‌
গত দু দশক ধরে নিউ ইয়র্কে রয়েছেন তিনি। একজন অনেকটাই স্বাধীন জীবন যাপন করছেন তিনি। 
১৯৮৯ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি রুশদির লেখা বিতর্কিত উপন্যাস  ‘‌দ্য স্যাটানিক ভার্সেস’‌–এর জন্য তাঁর বিরুদ্ধে ফতোয়া জারি করা হয়েছে।

ভালোবাসার দিনে জারি হয়েছিল মৃত্যুর ফতোয়া। তারপর থেকে প্রতিবছরই তেহরান সরকার সেই ফতোয়া বহাল করে গিয়েছে। সেই হুলিয়া থেক বাঁচতে আত্মগোপন করে থাকতে হয়েছে লেখককে। প্যারিস তাঁকে আশ্রয় দিয়েছিল ঠিকই। কিন্তু সেখানেও স্বাভাবিক স্বাধীন জীবনযাপন করতে পারেননি তিনি। সর্বদা তাঁকে ঘিরে থাকত নিরাপত্তা রক্ষীরা। এমনকী প্রকাশকের দপ্তরে গেলেও পিছনের দরজা দিয়ে নিয়ে যাওয়া হত। বাড়ি ফিরিয়ে আনা হত সাবওয়ে দিয়ে। দুর্বিসহ এই বন্দী জীবনে অনেকটাই অভ্যস্ত এখন রুশদি। তবু স্বাধীনচেতা ব্যক্তিসত্ত্বা যে এখনও বেঁচে আছে সেটা ৩০ বছর পর আবার প্রকাশ করলেন লেখক। 

জনপ্রিয়

Back To Top