করিনা-শাহিদের ঘনিষ্ঠ মুহূর্ত ফাঁস নেট মাধ্যমে! অভিযোগের তীর মীরার স্বামীর দিকে

পথ বেঁকে গিয়েছে বহু আগে। যে যাঁর মতো সুখে সংসার করছেন। দুই সন্তানের বাবা, মা-ও হয়ে গিয়েছেন। তবুও বিতর্ক এখনও পিছু ছাড়ছে না তাঁদের। এক সময় পরিবারের মতের বিরুদ্ধে গিয়ে শাহিদ কাপুরের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন করিনা কাপুর খান। দিদি করিশ্মা ঘোর বিরোধিতা করলেও, বহু বছর সম্পর্কে ছিলেন তাঁরা। বি টাউনে কান পাতলে শোনা যায়, প্রেমের প্রথম প্রস্তাব দিয়েছিলেন করিনা নিজে। এমনকি সম্পর্ক থেকে প্রথম দূরেও সরে গিয়েছিলেন। যদিও তাঁদের বিচ্ছেদের কারণ সুস্পষ্ট নয় কারও কাছে। তবুও কেউ কেউ মনে করেন নেট মাধ্যমে ফাঁস হয়ে যাওয়া ভিডিওর কারণেই সম্পর্ক থেকে সরে আসেন করিনা।

'ফিদা' ছবির শুটিংয়ের সময় থেকে প্রেম শুরু করিনা, শাহিদের। জুটি বেঁধে শেষ ছবি 'জব উই মেট'।

'ফিদা' ছবির শুটিংয়ের সময় থেকে প্রেম শুরু করিনা, শাহিদের। জুটি বেঁধে শেষ ছবি 'জব উই মেট'।

কিন্তু ২০০৭ সালে শেষ ছবির শুটিংয়ের সময়েই সম্পর্ক ভাঙে তাঁদের। সূত্র বলছে, 'টশন’ ছবির শুটিংয়ের সময় সইফের সঙ্গে করিনার ঘনিষ্ঠতা বাড়ায় সমস্যা শুরু হয় শাহিদের।

কিন্তু ২০০৭ সালে শেষ ছবির শুটিংয়ের সময়েই সম্পর্ক ভাঙে তাঁদের। সূত্র বলছে, 'টশন’ ছবির শুটিংয়ের সময় সইফের সঙ্গে করিনার ঘনিষ্ঠতা বাড়ায় সমস্যা শুরু হয় শাহিদের।

করিনা, শাহিদের বিচ্ছেদের ভাবনা শুরু হতেই হঠাৎ নেট মাধ্যমে ফাঁস হয় করিনা, শাহিদের দুটি এমএমএস ভিডিও।

করিনা, শাহিদের বিচ্ছেদের ভাবনা শুরু হতেই হঠাৎ নেট মাধ্যমে ফাঁস হয় করিনা, শাহিদের দুটি এমএমএস ভিডিও।

একটিতে করিনা, শাহিদকে গভীরভাবে চুমু খেতে দেখা যায়।

একটিতে করিনা, শাহিদকে গভীরভাবে চুমু খেতে দেখা যায়।

দ্বিতীয়টিতে এক এক করে সম্পূর্ণ পোশাক খুলে নগ্ন অবস্থায় দেখা যায় করিনাকে।

দ্বিতীয়টিতে এক এক করে সম্পূর্ণ পোশাক খুলে নগ্ন অবস্থায় দেখা যায় করিনাকে।

নেট মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই, সংবাদমাধ্যম দাবি জানায়, ভিডিওগুলো শাহিদের তোলা। তিনিই ইচ্ছাকৃতভাবে ছড়িয়েছেন।

নেট মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই, সংবাদমাধ্যম দাবি জানায়, ভিডিওগুলো শাহিদের তোলা। তিনিই ইচ্ছাকৃতভাবে ছড়িয়েছেন।

যদিও অস্বীকার করেন শাহিদ। পরে করিনা, এবং শাহিদ দুজনেই একসঙ্গে জানান, ভিডিওতে তাঁরা ছিলেন না। প্রযুক্তির সাহায্যে কেউ কারচুপি করেছেন।

যদিও অস্বীকার করেন শাহিদ। পরে করিনা, এবং শাহিদ দুজনেই একসঙ্গে জানান, ভিডিওতে তাঁরা ছিলেন না। প্রযুক্তির সাহায্যে কেউ কারচুপি করেছেন।