আজকাল ওয়েবডেস্ক: মহামারীর মধ্যে কীভাবে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব, দেশের ৬৪০টি বিশ্ববিদ্যালয় সেই স্টেটাস রিপোর্ট তাদের জানিয়েছে। বৃহস্পতিবার একথা ঘোষণা করল ইউজিসি। ইউজিসি বলেছে, এই ৬৪০টির মধ্যে ৪৫৪টি বিশ্ববিদ্যালয় হয় ইতিমধ্যেই পরীক্ষা নিয়ে নিয়েছে, অথবা পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনা করছে। এবং বাকি ১৭৭টি বিশ্ববিদ্যালয় এখনও পরীক্ষা নেওয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়নি। এছাড়া ২০১৯ থেকে এবছর এখনও পর্যন্ত যে ২৭টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি হয়েছে, সেগুলির প্রথম ব্যাচের পরীক্ষার্থীরা এখনও ফাইনাল পরীক্ষা দেওয়ার জন্য বৈধ হননি।
মহামারীর মধ্যেই শেষ বর্ষের পরীক্ষা নেওয়া বাধ্যতামূলক বলে দিনকয়েক আগে জারি করা ইউজিসির নির্দেশিকাকে চ্যালেঞ্জ করে গত ৬ তারিখ দিল্লি হাইকোর্ট পিটিশন দাখিল করেন দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র কবির সচদেব। সেব্যাপারে ইউজিসি, কেন্দ্র এবং দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে জবাবদিহি দাবি করেছে হাইকোর্ট। ইউজিসি ঘোষণা করেছিল হয় অনলাইন, বা অফলাইন, অথবা দুরকম মিশিয়ে হলেও সেপ্টেম্বরের মধ্যেই শেষ বর্ষের পরীক্ষা নিতেই হবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে।
যা নিয়ে বিতর্ক ওঠে। কারণ মহামারীর জন্য এবছরের শিক্ষাবর্ষে প্রায় অর্ধেকের বেশি কাজই হয়নি। তার উপর ছাত্রছাত্রীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। এর মধ্যে এধরনের নির্দেশিকা নিয়ে তাই স্বভাবতই ছাত্রছাত্রী, অভিভাবক এবং শিক্ষক মহলেও সমালোচনার ঝড় বয়ে যায়। তারপর ৬ তারিখেই ইউজিসি সেই নির্দেশিকা পুনর্বিবেচনার পর ফের জারি করে, যেখানে ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষাগত যোগত্যা, আগামী দিনের উন্নতির ধারা এবং পেশার সুযোগের বিষয়গুলিও জুড়ে দিয়েছিল।                ‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top