আজকাল ওয়েবডেস্ক: স্মৃতিশক্তি, বোধজ্ঞানের আসাযাওয়া, অ্যানাসথ্যাশিয়া এবং ঘুম।সব কিছুরই নিয়ন্ত্রক মগজের একই অংশ। এমনটাই দাবি করা হয়েছে একটি বিজ্ঞান পত্রিকায় প্রকাশিত সাম্প্রতিক গবেষণায়। দীর্ঘকাল ধরেই বিজ্ঞানীরা স্মৃতি, বোধের জৈব ভিত্তি নিয়ে গবেষণা করছেন। গবেষণায় তাঁরা জানতে পারেন অ্যানাসথেটিক ওষুধ, ঘুমের তারতম্য এই অনুভূতির উপর প্রভাব ফেলে। তাছাড়া কারও আচরণে তার বোধজ্ঞানের অনুমান কখনওই পাওয়া যায় না। কারণ কোনও নীরব ব্যক্তিও তার চারপাশ সম্পর্কে সজাত থাকেন আবার উল্টোটাও হয়।
সেই সব কিছু জানতেই গবেষক দল পূর্ণ বয়স্ক কয়েকজন পুরুষের উপর পরীক্ষানিরীক্ষা চালিয়েছিল। একদলকে স্বাভাবিক নিয়মে এবং আরেক দলকে অ্যানাসথ্যাশিয়া দিয়ে ঘুম পাড়ানো হয়েছিল। মাঝপথে তাঁদের জাগিয়ে তোলা হয়। যাতে তাঁরা ওই অবস্থার পূর্বেকার ঘটনা কতটা মনে রাখতে পেরেছেন সেটা পরীক্ষা করতে। দেখা যায় মগজের গভীরে থ্যালামাস, অ্যান্টেরিয়র এবং পস্টেরিয়র সিঙ্গুলেট করটেক্স এবং অ্যাঙ্গুলার গায়রির মধ্যে চলা সংযোগই সক্রিয় আছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, যখন কোনও মানুষের সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, তখন মগজের এই অংশে রক্ত চলাচল কম হয়। এবং সংযোগ পুনর্বার স্থাপিত হতেই রক্ত চলাচল ওই অংশে বেড়ে যায়। সেটা মানুষ ঘুমিয়ে পড়লেও যেমন হয়, আবার তাঁকে অজ্ঞান করা হলেও একই ঘটনা ঘটতে থাকে মগজে। তাই মগজের এই অংশই বোধজ্ঞানের নিয়ন্ত্রণ করে, বলছেন বিজ্ঞানীরা।       

জনপ্রিয়

Back To Top