আজকালের প্রতিবেদন: সমাজসেবায় টাটা ট্রাস্ট বরাবরই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে। সময় বদলেছে। তার সঙ্গে ট্রাস্টের কাজকর্মেও কিছু বদল এসেছে। কিন্তু লক্ষ্য একই আছে। পুষ্টি, জল, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, গ্রামোন্নয়ন, শহুরে দারিদ্র‌্য, জ্বালানি— এইসব নানা ক্ষেত্রের সমস্যা দূর করার চেষ্টা। এই ভাবনা থেকেই কাজ শুরু করেছিল টাটা ট্রাস্ট। বিভিন্ন প্রকল্প চালু করা, এনজিও–গুলিকে আর্থিক অনুদান দেওয়া, অর্থের সঠিক ব্যবহারে নজর রাখা, সমস্যার গ্রহণযোগ্য সমাধান,  অবহেলিতদের স্বনির্ভর করে তোলা— সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছেন রতন টাটা। বলেছেন, সমাজসেবার জন্য টাটা ট্রাস্ট কখনও পার্টনার খোঁজেনি। যে সংগঠনই সাহায্য করতে চেয়েছে তাদের স্বাগত জানিয়েছে টাটা ট্রাস্ট। তাই বিল গেটস, মেলিন্ডা গেটসের ফাউন্ডেশন থেকে বিশ্ব ব্যাঙ্কের সহযোগিতা পেতে অসুবিধা হয়নি। টাটা ট্রাস্টের  কর্ণধার জানান, ‘এখনও অপুষ্টির সমস্যা কাটিয়ে ওঠা যায়নি। এর জন্য অর্থাভাব দায়ী নয়। অপুষ্টির মোকাবিলায় সরকার কোটি কোটি টাকা খরচ করছে। কিন্তু সঠিক জায়গা পর্যন্ত তা যাচ্ছে না। বিকল্প উপায়ের কথা ভাবতে হবে। ‌এক্ষেত্রে টাটা ট্রাস্টের কাজটা অন্য রকম। আমরা প্রথমেই শিশুদের অপুষ্টির হাত থেকে বাঁচাতে চাই। শিশুরা পুষ্ট হলেই মায়ের স্বাস্থ্যে তার প্রভাব পড়বে। মা–শিশুর উভয়ের লাভ।’‌ রতন টাটা বলেন, ‘‌কাজের ক্ষেত্রে সমস্যাও এসেছে। বৃহত্তর স্বার্থে সফলভাবে কাজ করতে সক্ষম এমন এনজিও খুঁজে বের করাও বড় কাজ। ফলে অনেক সময় ট্রাস্ট নিজেই উদ্যোগ নিয়ে এগিয়ে এসেছে। বিভিন্ন প্রকল্প চালু করেছে। তদারকি করেছে।’‌ এ সব কাজে রাজ্য সরকারের সহযোগিতার প্রসঙ্গও এনেছেন। জানিয়েছেন, প্রশাসন আর প্রযুক্তি সঙ্গে থাকলে যে কোনও চ্যালেঞ্জ সহজেই কাটিয়ে ওঠা যায়। পঞ্চাশ বছর আগে যে কাজ কঠিন ছিল, প্রযুক্তির দৌলতে আজ তা সহজ।

জনপ্রিয়

Back To Top