আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ হালকা শীত পড়েছে বঙ্গে। তাছাড়া সামনেই বড়দিন। এই দু’‌য়ের কোলাজে এখন মনে পড়ে মা–ঠাকুমার তৈরি করা কাঁথা। আজ এই কাঁথা ফের প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠল ‘‌কুইল্ট এক্সিবিশনের’‌ মধ্য দিয়ে। কিন্তু কাঁথা কেন?‌ এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে পৌঁছে যাওয়া হয়েছিল ইএম বাইপাসের ধারে কলকাতা সেন্টার ফর ক্রিয়েটিভিটি– তে। যেখানে লেপ শিল্পের ওপর নানারকমের কাঁথার কাজ তোলা হয়েছে। 
এখানে পৌঁছতেই দেখা মিলল রুবি পালের সঙ্গে। যিনি পশ্চিমবঙ্গ ক্রাফটস কাউন্সিলের পরামর্শদাতা এবং এমিরেটস সভাপতি। তিনিই ‘‌কুইল্ট এক্সিবিশনের’‌ উদ্বোধন করেন। গোটা হলটা তখন সেজে উঠেছে একের পর এক সূক্ষ্ম কাঁথার কাজে। শিল্পীদের শৈল্পিক ভাবনা এখানে ছত্রে ছত্রে ধরা পড়েছে। যার মধ্যে অবশ্যই রয়েছে ভারতের শিক্ষা, সংস্কৃতি এবং কৃষ্টির। 
এই কাঁথা দু’‌রকমের। এক, গায়ে দিয়ে শীতের আমেজকে উপভোগ করা যায়। দুই, এই কাঁথা বাড়ির দেওয়ালে ঠাঙিয়ে রাখলে শোভা বাড়ে। এমনকী উপহার হিসাবে তুলে দেওয়া যায় অন্যের হাতেও। বিষয়টি নিয়ে রুবি পাল বলেন, ‘‌অক্লান্ত পরিশ্রম, ধৈর্য্য এবং সময় দিয়ে এই কাজ করা হয়েছে। জানুয়ারি মাসে এই কাজ নিয়ে চেন্নাইয়ে যাবো। ইতিমধ্যেই দিল্লি ও জয়পুরে এই কাঁথার কাজ পৌঁছে গিয়েছে।’‌ আর আজ গোটা ব্যাঙ্কুয়েট হল যেন রূপ নিল নকশি কাঁথার মাঠে। ‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top