আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ সিলেবাস শেষ করতে হিমসিম খায় ছোট্ট পড়ুয়ারা। পড়তে পড়তে আর অন্যকিছু করার সময় থাকে না তাঁদের। এতে শিশুদের স্বাভাবিক বিকাশ ব্যহত হচ্ছে। এবার তাই সিলেবাস কম করে তাঁদের পড়ার বোঝা কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এমনই জানিয়েছে কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ উন্নয়নমন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকর। তিনি জানিয়েছেন ২০১৯ থেকেই কমানো হবে এনসিআরটি–র স্কুল সিলেবাস।
মন্ত্রী এদিন বলেন, এনসিআরটি–র সিলেবাস এতটাই বেশি যে সেটা মনে হয় বিএ, বিএসসির সমান। ছাত্রছাত্রীরা নিঃশ্বাস নেওয়ার সময় পর্যন্ত পায় না। পড়ার চাপে ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের স্বাভাবিক বিকাশ ব্যহত হয়। সেকারণে এনসিআরটিকে সিলেবাস কমাতে বলা হয়েছে। ২০১৯ শিক্ষাবর্ষ থেকেই তা কার্যকর হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।  সিলেবাসের সঙ্গে পরীক্ষার বিধিকেও সীমাবদ্ধ করতে বলা হয়েছে।

এই প্রক্রিয়া সুনির্দিষ্ট করতে শীঘ্রই বিল আনা হবে বলেও জানিয়েছেন মন্ত্রী।  তিনি আরও জানিয়েছেন, সুস্থ প্রতিযোগিতার জন্য পরীক্ষা ব্যবস্থা থাকা অত্যন্ত জরুরি। মার্চ মাসে পরীক্ষায় কোনও পড়ুয়া অসফল হলে তাঁকে মে মাসে আরও একবার সুযোগ দেওয়া হবে। সেবারেও অসফল হলে তাকে পরবর্তী ক্লাসে উঠতে দেওয়া হবে না। 
শিক্ষক শিক্ষিকাদের মান নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ বিকাশ মন্ত্রী বলেছেন, শিক্ষকদের মান কমে যাওয়ার করণে ছাত্রছাত্রীরা ভাল করে শিখতে পারছে না। পড়ুয়াদের দুর্বলতা বুঝে নিতে হবে শিক্ষকদেরই। তারপরে ছাত্রছাত্রীদের পড়াতে হবে।  শিক্ষকদের পারদর্শী করতে ২০১৫ সালের মধ্যে ২০ লাখ শিক্ষকদের ট্রেনিং দেওয়ার কথা ছিল, কিন্তু মাত্র ৫ লাখ শিক্ষককে ট্রেনিং দেওয়া সম্ভব হয়েছে। 


 

জনপ্রিয়

Back To Top