আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ সকালে উঠেই এক কাপ কফি না পেলে দিন শুরু করেন না? কাজের চাপে মাথা ধরে থাকলে সেই মুশকিল আসান কফি? কফিতেই কি মোক্ষলাভ? সারাদিন কফি না পেলে মন আনচান করে? কফির উপর এত নির্ভর করেন বলে বন্ধুরা সাবধানবার্তা দেন? তবে এবার আপনি তাঁদের উল্টে বলতেই পারেন, কফি আসলে অতটাও সমস্যা করে না। যদি পরিমিত পরিমাণে থাকে। দিনে মোটামুটি পাঁচ কাপ পর্যন্ত কফি আপনি খেতেই পারেন বলে বিজ্ঞানীরা আশ্বাস দিচ্ছেন। হাতে চাঁদ পেলেন তো?‌ 
আমেরিকান জার্নাল অফ ক্লিনিকাল নিউট্রিশান এর একটা গবেষণার রিপোর্টে বলা হচ্ছে, দিনে ছয় কাপের বেশি কফি খেলে কার্ডিও ভাসকুলার ডিজিস বাড়তে পারে। তবে এক থেকে দু’‌কাপ খেলে সমস্যার সম্ভাবনা অনেকটাই কম। তবে মানুষের মেটাবলিক রেট অনুযায়ী বিষয়টা আলাদা আলাদা হতেও পারে। তাহলে সেই সোনালি সংখ্যাটা আপনাকে সব সময় মাথায় রেখেই এই কফির কাপে চুমুক দিতে হবে। কখনওই পাঁচ কাপের বেশি কফি নয় সারাদিনে। আবার এক থেকে দু’‌কাপ খেলে তো কোনও সমস্যাই নেই। টেনেটুনে পাঁচ কাপ।
সাধারণত কফিতে থাকা ক্যাফিনে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্টই আপনার ব্যথা কমায়। যে কোনও রকম প্রদাহ কমায়। হার্টফেলের সম্ভাবনা অনেকটাই কমায়। বেশি দিন বাঁচতে সাহায্য করে।  ডায়াবেটিস আছে যাঁদের, তাঁদের সুগার নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এমনকি কোষ্ঠকাঠিন্য আছে যাঁদের, তাঁদেরও সিস্টেম ক্লিয়ার করতে সাহায্য করে। তাই আপনার সারাদিনে কতটা কফি খাওয়া উচিত। আর কখন কখন খাবেন। সেটা আপনিই বেছে নিন। আর এই এত্তগুলো সুবিধা পান। যে কোনও কিছুই খুব বেশি তো ভাল নয়, তাই ওই দিনে পাঁচ কাপ পর্যন্ত কিন্তু চলতেই পারে। 
যেহেতু এই গবেষণায় খুব বেশি কফিও আবার ভাল নয় বলা হচ্ছে, তাই কেন ভাল নয় তার ব্যাখ্যাও দেওয়া হচ্ছে এখানে। দিনে ছ’‌কাপের বেশি কফি হয়ে গেলে কার্ডিওভাসকুলার সমস্যা কিন্তু বেশ কিছুটা বাড়তে পারে। কারও কারও যেমন কফি খেলে ঘুম আসে। তেমনই আবার কফি খেলে অনেকের ঘুম আসতে চায় না। কারণ কফির ক্যাফিন তাঁদের ক্ষেত্রে নার্ভকে অস্থির করে দেয়। অ্যাংজাইটি বাড়িয়ে দেয়। বমি বমি ভাব হয়। গলা শুকিয়ে আসে। তাই অবশ্যই কফি খান। তবে দিনে পাঁচ কাপের বেশি কফি একেবারেই নয়।

জনপ্রিয়

Back To Top