আজকাল ওয়েবডেস্ক: গত ডিসেম্বর মাস থেকেই শহর থেকে প্রতিটি জেলায় প্রায় সর্বত্রই সাধারণ মানুষের একটা বড় অংশের মধ্যে ঢিলেঢালা ভাব চলে এসেছে। এদিকে, লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। প্রথমে সেটা মহারাষ্ট্রে বাড়লেও ধীরে ধীরে অন্যান্য রাজ্যগুলিতেও সংক্রমণের সংখ্যাটা বেশ ঊর্ধ্বমুখী। সত্যিই কি সবাই সতর্কতা মেনে চলছেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে বিস্তর। অধিকাংশ জায়গাতেই দেখা যাচ্ছে, মুখে মাস্ক নেই, থাকলেও তা গলায় ঝুলছে। 
প্রতিদিন লোকাল ট্রেন ও মেট্রোতে উঠলেই দেখা যাচ্ছে- ঠাসাঠাসি করে যাত্রীরা যাওয়া—আসা করছেন। সামাজিক দূরত্ব কাউকেই মানতে দেখা যাচ্ছে না। ভ্যাকসিন তৈরির পরে কিছুটা স্বস্তি পেয়েছিল মানুষ।
গোটা দেশে ১৬ জানুয়ারি থেকে শুরু হয় ভ্যাকসিন দেওয়ার প্রক্রিয়া। আর সেটা নেওয়ার পর আর বোধহয় করোনায় আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকবেনা বলেই ভেবেছিলেন সাধারন মানুষ। কিন্তু নতুন করে এই সংক্রমণের হার বেড়ে যাওয়ার ফলে প্রতিদিন আক্রান্ত হচ্ছে মানুষ। রবিবার রাজ্যগুলিকে আরও সতর্ক হওয়ার বার্তা দিল কেন্দ্র। বেশি নজরদারি এবং করোনার RT-PCR পরীক্ষা যাতে আরও বেশি করা হয় সেদিকটাই বারবার করে উঠে এসেছে। রবিবার পর্যন্ত এক্টিভ কেসের সংখ্যাটা বেড়ে প্রায় দেড় লাখ ছুঁয়েছে।

 

 

 

যে রাজ্যগুলিতে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে, তাদের কয়েকটি বিষয়ে কঠোরভাবে নজর দিতে বলেছে কেন্দ্র। সেগুলি হল-
-RT-PCR পরীক্ষার পরে অবশ্যই র্যা পিড টেস্ট করাতে হবে নেগেটিভ আসার পরে।
৩) কিছু নির্দিষ্ট জেলায় কড়া করোনা নিরাপত্তা বজায় রাখতে হবে। বিশেষ ভাবে নজরদারি চালাতে হবে। নতুন স্ট্রেইনের প্রভাব কেমন সেদিকেও নজর রাখতে হবে।
-করোনা পরীক্ষার সংখ্যা বাড়াতে হবে। বিশেষ করে RT-PCR পরীক্ষায় জোর দিতে হবে। 
মাস্ক, সামাজিক দূরত্ব বিধি বা স্যানিটাইজেশনকে বিদায় জানাবার সময় এখনও আসেনি বলেও সাফ জানিয়েছে কেন্দ্র। করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনতে সরকার পক্ষ থেকে রাজ্যগুলিকে স্বাস্থ্যবিধি আরও কড়া করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাঁরা বলেছেন, অসতর্ক মুহূর্তই আমাদের দিকে আক্রমণ বেশি ধেয়ে আসে। আর সেটার সন্মুখীন  হয়তো আরও একবার আমাদেরকে হতে হবে যদি এখনই সতর্ক না হওয়া যায়।
 

জনপ্রিয়

Back To Top