আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ ডোকালা সংকট মিটলেও চীনের উপর একাধিক বিষয়ে নির্ভরশীলতা কমাতে চাইছে ভারত।  যে কয়েকটি ক্ষেত্রে ভারত মাত্রাতিরিক্ত নির্ভরশীল চীনের উপর। তারমধ্যে প্রথম ওষুধ। ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ ওষুধ চীন থেকে আমদানি করে ভারত। এছাড়াও ওষুধ তৈরিতে ব্যবহৃত কাঁচামাল তো রয়েইছে। এই নির্ভরশীলতা একটা সময়ে বিপদ ডেকে আনতে পারে বলে কূটনৈতিকদের দাবি। ডোকালা সমস্যা সমাধানে চীন সফরে গিয়েছিলেন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল। সেখান থেকে ফিরে এসে তিনিই কেন্দ্রকে সতর্ক করেছিলেন এই নিয়ে। চীনের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হলে সবচেয়ে আগে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ব্যহত হবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। 
সেই পরামর্শ মেনেই সম্ভবত চীন থেকে ওষুধ আমদানিতে রাশ টানার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। শুধু ওষুধই নয় চীন থেকে ডাক্তারি যন্ত্রপাতিও আমদানি করে ভারত। এই নির্ভরশীলতা কমাতে নতুন কয়েকটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক। তাতে জানানো হয়েছে উন্নত মানের কয়েকটি ওষুধ ও ডাক্তারি সামগ্রি ছাড়া চীন থেকে কিছু চিকিৎসা সামগ্রি আমদানি করা হবে না। ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল জি এন সিং জানিয়েছেন, আমরা চাইনা দুইদেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক ব্যহত হোক। দেশের রোগীরা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হন সেকারণেই নিম্নমানের ওষুধের আমদানিতে নিয়ন্ত্রণ আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। দেশের একাধিক ওষুধ প্রস্তুতকারী কারখানাতেও নিয়মিত পরিদর্শন করা হচ্ছে। লাইসেন্স ফিও বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে যাতে নিম্ন মানের ও ভেজাল ওষুধের বাজার বন্ধ করা যায়। ড্রাগ ও কসমেটিক রুলেও কিছু পরিবর্তন আনা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। ইতিমধ্যেই ওষুধের কাঁচা মাল সরবরাহকারী সংস্থাগুলির উপর নজরদারি চালানো হচ্ছে। আমদনি শুল্কও বাড়ানো হয়েছে। এ সবেরর মূলেই রয়েছে জাল ওষুধের রমরমা বন্ধ করা। 

জনপ্রিয়

Back To Top