আজকাল ওয়েবডেস্ক: শিক্ষাক্ষেত্রে আরও একটি নতুন পদক্ষেপ সেন্ট জেভিয়ার্স বিশ্ববিদ্যালয়ের। চলতি শিক্ষাবর্ষ থেকেই তারা শুরু করতে চলেছে মাস্টার অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বা এমবিএ কোর্স। বৃহস্পতিবার সাংবাদিক সম্মেলনে একথা জানিয়েছেন সেন্ট জেভিয়ার্স ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর ডঃ ফেলিক্স রাজ। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউটাউন ক্যাম্পাসে জেভিয়ার্স বিজনেস স্কুলের অধীনে হবে ক্লাস। প্রথম বছরে ৬০ জন করে মোট ১২০ জন পড়ুয়া নিয়ে ক্লাস শুরুর কথা জানিয়েছেন তিনি। সেমিস্টার প্রতি খরচ হবে ২ লক্ষ টাকা। ইতিমধ্যে ভর্তি শুরুও হয়ে গিয়েছে। প্রথমে ক্যাট, জ্যাট, জিম্যাট–এর মতো পরীক্ষা দিতে হবে পড়ুয়াদের। তারপর গ্রুপ ডিসকাসন এবং পার্সোনাল ইন্টারভিউয়ের ভিত্তিতে অ্যাডমিশনের সুযোগ পাবেন পড়ুয়ারা। ছাত্র–ছাত্রীদের সুবিধার জন্য রয়েছে এসি ক্লাস–রুম, বিশেষ অ্যাম্পিথিয়েটার, প্রজেক্টর, লাইব্রেরি এবং মর্ডান কম্পিউটার ল্যাব।

এছাড়া অনলাইনে বিখ্যাত লেখকদের জার্নাল পড়তেও পারবে পড়ুয়ারা। এমবিএ–এর এই ক্লাস শুরু হবে আগামী ৭ আগস্ট থেকে। এতে থাকবে ফিনান্স, মার্কেটিং, হিউম্যান রিসোর্স এবং সিস্টেম অ্যান্ড অপারেশনসের কোর্স। এমবিএ ছাড়াও খুব শিগগিরি মাস কমিউনিকেশন, স্ট্যাটিসটিকস, সাইকোলজি, সোশিওলজি, কম্পিউটার সায়েন্স, আইন ইত্যাদি বিষয়েও পড়ানো শুরু হবে। এছাড়া আগামিদিনে রিসার্চ এবং পিএইচডি করারও সুযোগ মিলবে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। এর মধ্যে থেকে আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকেই শুরু হবে স্নাতক স্তরে ইকোনমিকস, ইংরেজি, মাস কমিউনিকেশন, কমার্স এবং ম্যানেজমেন্টের বিষয়গুলি। স্নাতোকত্তর স্তরে পড়ানো হবে ইংরেজি,  মাস কমিউনিকেশন, কমার্স এবং সোশ্যাল ওয়ার্ক–এর মতো বিষয়। তবে এর মধ্যে অন্যান্য কোর্সগুলির জন্য প্রতি সেমিস্টার ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা খরচ হলেও মাস কমিউনিকেশনের জন্য একটু বেশি খরচ হতে পারে। জানান ভাইস চ্যান্সেলর ফেলিক্স রাজ।

এর পাশাপাশি সেন্ট জেভিয়ার্স ইউনিভার্সিটি একটি নতুন উদ্যোগ নিতে চলেছে। তারা চাইছে একটি স্পোর্টস ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাডেমিও তৈরি করতে। তবে এসবের জন্য তাদের একটি দাবিও রয়েছে। ফেলিক্স রাজ জানান, রাজ্য সরকারের কাছে তারা আরও দশ একর জমির দাবি জানাবেন। তিনি বলেন, ‘‌আমাদের হাতে ১৭ একর জমি রয়েছে। কিন্ত আমাদের আরও জমি লাগবে। অন্তত আরও ১০ একর। এজন্য আমরা রাজ্য সরকারের কাছে আবেদন জানাব। আমরা পাঁচ বা দশ বছরের পরিকল্পনা করছি না। আগামী ৫০ বছরের জন্য আমাদের পরিকল্পনা। ওই জমি পেলে আমরা অতি সহজেই কলেজের ক্যাম্পাস বাড়াতে পারব। দেশে অনেক এমন কলেজ বা ইউনিভার্সিটি আছে যেগুলি ১০০–রও বেশি জমিতে তৈরি হয়েছে। নতুন কোর্সের জন্য আমাদের নতুন ভবন দরকার।’ এর পাশাপাশিই তিনি পড়ুয়াদের যাতায়াতের জন্যও বাসের ব্যবস্থাও যে করা হয়েছে, সেকথাও জানান। এছাড়া আর্থিক দিক থেকে দুঃস্থ ছাত্রছাত্রীদের জন্য আগামিদিনে বিশেষ স্কলারশিপের ব্যবস্থা করা হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। ‌‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top