আজকাল ওয়েবডেস্ক: উল্লাস! হ্যাঁ, হ্যাঁ আপনি সহজেই এবার এটা বলতে পারেন। কেউ খুব আপত্তি করলে, তাঁকেও গ্লাসটা এগিয়ে দিন। পরিমিত বিয়ার পান করলে আমাদের যে বেশ কিছু শারীরিক উপকারই হয়, তা আপনি বোধহয় এতদিন জানতেন না। তাই তাবড় বোদ্ধাদের সঙ্গে হয়ত ঠিক যুক্তিতে পেরে উঠতেন না। তাহলে জানুন বিয়ার পান আমাদের শরীরে কী কী ভালো কাজ করতে পারে।
হৃদযন্ত্রের সুরক্ষা: আজকের হাইপার টেনশনের যুগে অনেকেই রক্ত জমাট বাঁধার সমস্যায় ভোগেন। আর তা থেকে হৃৎপিণ্ডের ধমনীতে রক্ত সঠিকভাবে চলাচল করতে পারে না। ফল হৃৎপিণ্ডে ব্লকেজ আর সবশেষে হৃদরোগ। কিন্তু পরিমিত পরিমাণে বিয়ার রক্তকে তুলনামূলকভাবে পাতলা করে দেয়। কাজেই ব্লকেজের সমস্যা অনেকটাই কমে যায় এক্ষেত্রে। 
পেট গুড়গুড়ের সমস্যা থেকে মুক্তি: রোজ যদি এক বোতল বিয়ার পান করেন তাহলে আপনার শরীরে সারাদিনে যে পরিমাণ ফাইবার প্রয়োজন তার ২০ শতাংশ পরিপূরণ করে দেয়। তাতে আপনার পেট গুড়গুড়ও অনেক সময়ই কমে যায়। 
ব্রেন সুরক্ষিত রাখে: পার্কিনসন বা অ্যালঝাইমার্সের মতো মানসিক রোগীদের যদি রোজ একটু বিয়ার পান করানো যায় তাহলে এই রোগ থেকে অনেকাংশে রেহাই মেলে। সাধারণ মানুষের পক্ষেও মানসিক চাপ যদি কখনও বেশি হয় মাথা হাল্কা করতে বিয়ারে কয়েক চুমুক দিন। লাভ আপনারই।
কিডনি স্টোন থেকে মুক্তি: কিডনিতে পাথরের সমস্যার কড়া প্রতিষেধক বিয়ার। কারণ বিয়ারে থাকা পটাশিয়াম এবং ম্যাগনেশিয়াম কিডনির পাথরকে সহজেই গলিয়ে দেয়। আর বিয়ারে ৯০ শতাংশ জল থাকে বলে তা কিডনি পরিষ্কার রাখতেও সাহায্য করে। 
ভিটামিন বি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে: আপনার কল্পনাতেও নেই হয় তো বিয়ারে আছে ভিটামিন–বি সিক্স। গবেষকরা বলছেন, পরিমিত বিয়ার পান অনিদ্রাজনিত সমস্যা কমায়। তাই রাতে চেয়ে চেয়ে আকাশকুসুম কল্পনা বা মুঠো মুঠো ঘুমের ওষুধ খাওয়ার বদলে বিয়ারের গ্লাসে চুমুক দিন। এমনিতেই দুচোখে ঘুম জড়িয়ে আসবে।
বয়স কমাতে সাহায্য করে: কে না চায় বয়স কম লাগুক! আর বয়স কম দেখানোর জন্য প্রয়োজন ত্বকের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। কারণ এটাই ত্বককে চকচকে করে। শুধু ভিটামিন–বি সিক্সই নয়, বিয়ারে আছে ভিটামিন–ই এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টও। তাই পরিমিত বিয়ার পান করুন। সহজেই আপনাকে বাকিদের তুলনায় কমবয়স্ক লাগবে।
আর কে না জানে বলুন, একজন মাতালের কাছে হারানোর জন্য আছে একটা বোতল, আর জয় করার জন্য গোটা পৃথিবী। তাই, পরিমিত বিয়ার আপনি খেতেই পারেন।‌

জনপ্রিয়

Back To Top