আজকাল ওয়েবডেস্ক: আমাদের দেশে মেয়েদের কমবয়সেই কান এবং নাক ফুটো করার রীতি বহুদিন ধরে চলে আসছে। অলঙ্কার পরার জন্যই মূলত এই রেওয়াজ। আয়ুর্বেদ শাস্ত্র কিন্তু বলছে বাচ্চা বয়সে কানে ছিদ্র করার অনেকগুলো চমৎকার উপকারিতা আছে, সবই স্বাস্থ্য সম্পর্কিত। তবে কিছু নিয়ম মানতে হবে। যেমন, জন্মানোর ১০, ১২, ১৬ দিনের মাথায় করতে হবে 'কর্ণভেদ'। নয়তো ষষ্ঠ, সপ্তম কিংবা অষ্টম মাসে। এর থেকে দেরি হলে জন্মানোর পর থেকে বিজোড় বছরে। আয়ুর্বেদ বলছে, ছেলেদের ক্ষেত্রে আগে ডান পরে বাঁ কান ফুটো করতে হবে। মেয়েদের ক্ষেত্রে তার উল্টো। ফুটো করার সময় যন্ত্রণায় স্বাভাবিকভাবেই চিৎকার করবে শিশুরা। এতে নাকি অন্ত্রের উপকার হয়। ছেলেদের ক্ষেত্রে শুক্রাশয় ফোলার সম্ভাবনাও কমে যায়। আসুন দেখা যাক আর কী কী জাদুকরি উপকারের কথা বলছে আয়ুর্বেদ শাস্ত্র। 


১) কমবয়সে কান ফুটো করা হলে মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য ভাল থাকে। স্মৃতিশক্তি বাড়াতেও নাকি কাজে দেয়। 
২) আয়ুর্বেদ বলছে, সঠিক সময়ে কান ফুটো করলে পুরুষ এবং মহিলাদের প্রজনন ক্ষমতায় উন্নতি ঘটে। প্রসবের সময় মহিলাদের যন্ত্রণাও কমে যায় বলে জানানো হয়েছে। 
৩) কানে দুল পরলে শরীর চনমনে থাকে। এই কারণেই নাকি ছেলেরাও দুল পরার প্রথা চালু করেছে।
৪) রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে কর্ণভেদ, বলছে আয়ুর্বেদ। মেয়েদের রজস্রাব সংক্রান্ত সমস্যাতেও উপকার দেয়। 
৫) কানের লতির মধ্যবিন্দুর সঙ্গে নাকি চোখের যোগাযোগ আছে। আকুপাংচার বিদ্যা বলে লতির সঠিক প্রেশার পয়েন্ট চাপ পড়লে তা দৃষ্টিশক্তি ভাল করে। 
৬) আকুপাংচার বিদ্যা অনুযায়ী, সঠিক প্রেশার পয়েন্টে চাপ পড়লে হজম ভাল হয় এবং খিদে বাড়ে।
 

জনপ্রিয়

Back To Top