আজকালের প্রতিবেদন: বিশ্ব কিডনি দিবস উপলক্ষে মানুষকে সচেতন করতে স্বাস্থ্যমেলার আয়োজন করে ঠাকুরপুকুরের জেমস লং সরণির ডি এম হাসপাতাল। রবিবার সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২টো পর্যন্ত চলে এই স্বাস্থ্যমেলা। আয়োজিত মেলায় প্রচুর সংখ্যক চিকিৎসক, বিভিন্ন স্পেশ্যালিস্টরা শামিল হন। সাধারণ মানুষও এতে শামিল হন। তাঁরা চিকিৎসকদের থেকে রোগ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য জানার চেষ্টা করেন। হাইপারটেনশন, ডায়াবেটিস মেলিটাস, কিডনি ডিজিজ ও করোনারি আর্টারি ডিজিজ নিয়ে আলোচনা করেন বিশেষজ্ঞরা। রোগ প্রতিরোধে বিভিন্ন প্রদর্শনী হয়। রোগের কারণ, উপসর্গ, চিকিৎসা, প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা প্রভৃতি বিষয়ে আলোকপাত করা হয়। হসপিটাল সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (‌এইচএসআর)–এর পক্ষ থেকে আর্থিকভাবে দুর্বলদের জন্য বিশেষ একটি প্রিভিলেজ কার্ড দেওয়া হয়। হাসপাতালের নেফ্রোলজিস্ট ডাঃ দয়ানাথ মিশ্র এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগের নার্স ও কর্মীরা মিলে কিডনির অসুখ প্রতিরোধে এই প্রচেষ্টা করে থাকেন। মেলার মূল উদ্দেশ্য, নিঃশব্দ ঘাতকের মতো এই রোগগুলি নিয়ে সচেতনতা গড়ে তোলা। 
হাসপাতালের মেডিক্যাল ডিরেক্টর ডাঃ দেবাশিস রায় জানান, গত ১১ বছর ধরে এই হাসপাতাল বিশ্ব কিডনি দিবস পালন করছে। এবারে ১২ বছরে পড়ল। অন্যান্য বছর হাজারেরও বেশি মানুষের সমাগম হয় স্বাস্থ্যমেলায়। শুগার, হাইপারটেনশন জানতে এবং হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি রয়েছে কিনা জানার জন্য বিভিন্ন পরীক্ষারও ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল। হাসপাতালের সঙ্গে সহযোগী হিসেবে রয়েছে ডিয়ার ডক্টর কলকাতা সংস্থা। সিএমই অনুষ্ঠানে জেনারেল এবং হাউস ফিজিশিয়ানরা দেখান বাড়িতে আপৎকালীন পরিস্থিতিতে রোগীকে হাসপাতালে আনার আগের পরিস্থিতি অর্থাৎ গোল্ডেন মুহূর্ত কীভাবে সামাল দিতে হবে?‌ ‌‌বাড়িতে প্রাথমিক কী চিকিৎসা জরুরি? দ্রুত রোগ নির্ণয় প্রভৃতি সম্পর্কে বোঝান। চিকিৎসক ছাড়া অন্য পড়ুয়াদের বেসিক লাইফ সাপোর্ট নিয়ে হাতেকলমে বোঝানো হয়। বাড়িতে বা আশেপাশে জরুরি পরিস্থিতি কীভাবে মোকাবিলা করবেন তা আলোচনা করেন। লাইফ স্টাইল ম্যানেজমেন্ট, ওষুধের কার্যকারিতা, পুষ্টির গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা হয়। রেনাল ফেলিওর রোগীদের চিকিৎসাক্ষেত্রে বিভিন্ন ভাবে সহায়তা করে থাকে ডি এম হাসপাতাল।

জনপ্রিয়

Back To Top