আজকালের প্রতিবেদন: আজ, রবিবার রাজ্য জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষা। পরীক্ষার্থীরা কোনও ধরনের ঘড়ি পরেই পরীক্ষা হলে ঢুকতে পারবে না। কলম আনাও নিষিদ্ধ। প্রশ্নপত্রের ‘‌সিল’‌ খুলবে পরীক্ষার্থী নিজে। মোবাইল ফোন ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে শুধুমাত্র জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ডের সদস্য, ভ্রাম্যমাণ পর্যবেক্ষক এবং সেন্টার ইনচার্জকে। বোর্ডের পক্ষ থেকে এঁদের জন্য এ বছর বিশেষ পরিচয়পত্রের ব্যবস্থা করা হয়েছে। 
সব মিলিয়ে এ বছর পরীক্ষায় বসতে চলেছে ১ লক্ষ ২৫ হাজার ৭৫ জন ছাত্রছাত্রী। এ বছর পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে ৬.‌৫ শতাংশ। সম্প্রতি কিছু পরীক্ষায় প্রশ্ন ‘‌ফাঁস’‌–এর অভিযোগ ওঠায় এ বছর বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ করেছে জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ড। পরীক্ষাহলে প্রশ্নপত্র এ বছর আর পরীক্ষার্থীদের মধ্যে বিলি করা হবে না। প্রতিটি কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা অনুযায়ী প্রশ্নপত্রের প্যাকেট পাঠানো হবে। যার ‘‌সিল’‌ খুলবে পরীক্ষার্থী নিজেই। পরীক্ষার্থীরা কোনও ধরনের ঘড়ি পরেই পরীক্ষা দিতে পারবে না। এর জন্য প্রতিটি পরীক্ষাকেন্দ্রের যে ঘরে পরীক্ষা হচ্ছে, সেখানে ঘড়ি রাখার ব্যবস্থা করেছে বোর্ড। মোবাইল–সহ যে কোনও ধরনের বৈদ্যুতিন সরঞ্জাম ব্যবহার নিষিদ্ধি। গত বছরের মতো এ বছরও কলম দেবে বোর্ড। ছাত্রছাত্রীরা শুধু অ্যাডমিট কার্ড, সচিত্র পরিচয়পত্র (‌‌আসল)‌‌ এবং যে ছবিটি বোর্ডকে পাঠিয়েছে, সেই ছবি নিয়ে পরীক্ষা হলে ঢুকবে। পরীক্ষা পরিচালনার দায়িত্বে থাকছেন ৪৪৫ জন পর্যবেক্ষক। এঁদের মধ্যে ৭৫ জন ভ্রাম্যমাণ। এঁদের হাতেই থাকবে রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি ডিটেক্টর। মোবাইল ফোন এ বছর ব্যবহার করবেন শুধুমাত্র জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ডের সদস্য, ভ্রাম্যমাণ পর্যবেক্ষক এবং সেন্টার ইনচার্জ। ইনভিজিলেটর–সহ পরীক্ষাকেন্দ্রে থাকা অন্য আর কেউ পরীক্ষা চলাকালীন মোবাইল ফোন ব্যবহার করা বা কাছে রাখতে পারবেন না। মোবাইল ফোন ব্যবহারের অনুমতি যাঁদের দেওয়া হয়েছে তাঁদের এ বছর বিশেষ পরিচয়পত্র দিয়েছে বোর্ড। এ নিয়ে বোর্ডের চেয়ারম্যান মলয়েন্দু সাহা বলেন, ‘‌তিনজনকে বোর্ডের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার জন্য মোবাইল ফোন ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। ভুল বোঝাবুঝি এড়াতে এবং বিভিন্ন কেন্দ্রে গিয়ে যাতে এঁদের পরিচয় দিতে সমস্যা না হয়, এজন্যই পরিচয়পত্র।’‌ মোট ৩৩৯টি পরীক্ষাকেন্দ্র। রাজ্যে রয়েছে ৩৩৪টি। ৪টি পরীক্ষাকেন্দ্র ত্রিপুরায়, ১টি অসমে। ‌

জনপ্রিয়

Back To Top