আজকালের প্রতিবেদন: খুব তাড়াতাড়ি যদি জলের ব্যবহারে পরিবর্তন না আনা যায়, তবে আগামী দু’‌দশকের মধ্যেই ভারত জল–‌সঙ্কটের মধ্যে পড়বে। বুধবার বেঙ্গল ন্যাশনাল চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি আয়োজিত ওয়ার্ল্ড ওয়াটার ডে ২০১৯ উপলক্ষে ‘‌লিভিং নোওয়ান বিহাইন্ড’‌ শীর্ষক এক সেমিনারে এ কথা জানালেন বিএনসিসিআইয়ের এনভায়রনমেন্ট স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারপার্সন রাকা সেন। বিভিন্ন শিল্প সংস্থার প্রতিনিধি ছাড়াও সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও পড়ুয়ারা।  তিনি বলেন, ‘‌দেশে গৃহস্থালি বা শিল্পের ক্ষেত্রে ব্যবহার হওয়া খুব কম পরিমাণ জলই পরিস্রুত করা হয়। ভারতের সমস্ত বড় শহরে একযোগে ৩০ বিলিয়ন লিটারের ওপর বর্জ্য জল তৈরি হয়। যার মধ্যে ৬.‌২ বিলিয়ন লিটার পরিস্রুত হয়। 
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সেন্ট্রাল গ্লাস অ্যান্ড সেরামিক রিসার্চ ইনস্টিটিউট (‌সিজিসিআরআই)‌–এর ডিরেক্টর ড.‌ কে মুরলীধরন জানান, সিএসআইআর–সিজিসিআরআই কলকাতা, ‘‌সেরামিক মেমব্রেন–‌বেস্‌ড ওয়াটার পিউরিফিকেশন প্লান্ট’‌ তৈরি করেছে। গুরু নানক ইউনিভার্সিটি অফ বায়োটেকনোলজির জৈবপ্রযুক্তি বিভাগের প্রধান ড.‌ স্বাতী নন্দী চক্রবর্তী জানান, নদীগুলির জন্য দেশে অধিকাংশ এলাকাতেই যথেষ্ট জল সরবরাহ আছে। কিন্তু জলের মানের ক্ষেত্রে ১২২টি দেশের ভেতর এটি ১২০তম স্থানে আছে। অ্যাকাডেমি অফ ওয়াটার টেকনোলজির ডিরেক্টর ড.‌ অসীম কে ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, মেট্রো এবং বড় শহরগুলি প্রতিদিন ৩৮ বিলিয়ন বর্জ্য জল তৈরির জন্য দায়ী। কলকাতা পুরসভার ডিরেক্টর জেনারেল (‌ওয়াটার সাপ্লাই)‌ বি কে মাইতি বলেন, ‘‌জলের অপচয় রোধে প্রতিটি ওয়ার্ডে ‘‌ওয়াটার লস ম্যানেজমেন্ট’‌–এর ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।’‌ ‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top