আজকাল ওয়েবডেস্ক: করোনা পজিটিভ? শুকনো কাশি কিংবা গলা ব্যথা? খাবার গিলতে কষ্ট সঙ্গে অস্বস্তি তো রয়েছেই। তার সঙ্গে স্বাদেরও দফারফা। স্বভাবতই ভাইরাল ইনফেকশনের মতো এই কাশি, গলাব্যথা সারতেও বেশ কিছুটা সময় নেয়। ওষুধ তো খাচ্ছেন চিকিৎসকের পরামর্শ মতো। কিন্তু এর সঙ্গে নিতে পারেন ঘরোয়া কিছু টোটকাও। আগে চিকিৎসা ব্যবস্থা যখন এত উন্নতি ছিল না, সাধারণ সর্দি, কাশির সময়ে ব্যবহার করা হত এই ভেষজ গুলিই। এই করোনার সময়ে ব্যবহার করুন এগুলি। যার ফলে দ্রুত মিলবে স্বস্তি। aajkaal.in-কে চিকিৎসক অরিন্দম বিশ্বাস বললেন, প্রথমত, আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থায় যে সকল ওষুধ চিকিৎসকরা দেবেন সেগুলি নিয়ম করে খাওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি এগুলি খাওয়ার পরামর্শ দিলেন তিনি।

মধু/ যষ্টিমধু

করোনায় সংক্রমিত হলে দীর্ঘদিন শুকনো কাশি থেকে যাচ্ছে। সঙ্গে থাকছে আবার গলা ব্যথা। গলা ব্যথা হোক বা খুসখুস, মধু অনেকটা আরাম দেয়। মধুতে রয়েছে ব্যাকটেরিয়া এবং ছত্রাকে সঙ্গে লড়াই করার ক্ষমতা। যোষ্ঠী মধু কাশির জন্য খুব উপকারী।  গরম জলে দু’চামচ মধু ফেলে খেতে পারেন প্রতিদিন। যষ্টিমধু গরম জলে ফুটিয়ে সেই জল দিয়ে গার্গল করতে পারেন। 

আদা

আদা কাশি ও গলা ব্যথার জন্য জনপ্রিয় একটি ঘরোয়া টোটকা। বিশেষ করে কোনও ধরনের সংক্রামক রোগের ক্ষেত্রে এটি খুবই উপকারী। কাশি না কমলে আদা দিয়ে চা করে খেতে পারেন, গলায় আরাম পাওয়া যাবে। সঙ্গে শুধু আদা ছোট ছোট করে কেটেও নুন দিয়ে জিভে রাখতে পারেন।

নুন-জল

করোনায় গলা ব্যথা স্বাভাবিক একটি উপসর্গ। এর জন্য গরম জলে নুন ফেলে গার্গল করতে পারেন। নুন জীবাণু ধ্বংস করতে সাহায্য করে।নুন-জলে গার্গল করলে গলা অনেকটাই ভাল হয়ে যাবে দু'এক দিনেই।

লবঙ্গ, তাল মিছড়ি, বাসক পাতার সিরাপ

বাড়িতে ঘরোয়া উপায়ে লবঙ্গ, তাল মিছড়ি এবং বাসক পাতা ফুটিয়ে একটি সিরাপ করে সেই সিরাপ খেলে অনেকটাই গলার উপকার মিলবে। সেইসঙ্গে কাশি অনেকটা কমবে।

লেবু
করোনার সময় ভিটামিন-সি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেজন্য পাতিলেবু থাকা অত্যন্ত জরুরী। এর সঙ্গে জিঙ্ক-এর জন্য অত্যন্ত উপকারী পেয়ারা।

তবে অবশ্যই এর সঙ্গে চিকিৎসকের পরামর্শ মতো ওষুধগুলো নিয়মিত খাবেন। সুস্থ থাকুন, ভালো থাকুন। মাস্ক পড়ুন ও দূরত্ব বিধি বজায় রাখুন।

জনপ্রিয়

Back To Top