আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘‌না আনা ইস দেশ লাডো’‌ মনে আছে?‌ বা টিউলিপ জোশি অভিনীত ছবি ‘‌মাতৃভূমি’?‌ হরিয়ানায় কন্যাভ্রুণ হত্যার গল্প বলেছিল ধারাবাহিকটি। আর ক্রমাগত কন্যাভ্রুণ হত্যার ফলে হরিয়ানায় বিবাহযোগ্য পুরুষের তুলনায় মেয়ের সংখ্যা কমে যাওয়ায় একটি মেয়েকে পাঁচ ভাই মিলে বিয়ে এবং সারা গ্রামের সব পুরুষদের তাঁকে বারবার ধর্ষণের কালো দিক তুলে ধরেছিল ছবিটি। ওই ছবি বা ধারাবাহিক দেখে হরিয়ানা সরকারের প্রতি তীব্র ক্ষোভ উগড়ে দেয় রাজনৈতিক মহল থেকে সাধারণ দেশবাসী। তারপরই কন্যাভ্রুণ হত্যা রুখতে জোরদার ব্যবস্থা নেয় রাজ্য সরকার। প্রচারও চালানো হয়। অবশেষে কিছুটা আশার আলো দেখা গিয়েছে। রাজ্য সরকারের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০১৮–র ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রতি ১০০০ জন ছেলে পিছু মেয়ে রয়েছে ৯২৪ জন। যেখানে প্রতি ১০০০ জন ছেলে পিছু ২০১৭–য় ছিল ৯১৪ জন এবং ২০১২–য় ছিল ৮৩২ জন মেয়ে। 
কন্যাভ্রুণ রক্ষায় এর মধ্যে শীর্ষে আছে কারনাল জেলা। যেখানে প্রতি ১০০০ জন ছেলে পিছু ২০১২–য় ছিল ৭৯৭ জন মেয়ে, সেখানে গতবছর এই সংখ্যা হয়েছে ৯৭৯ জন মেয়ে। তার পরেই আছে কুরুক্ষেত্র, ঝাজ্জর এবং রেওয়ারি। ২০১১–র গণ সুমারিতে দেখা যায়, প্রতি ১০০০ জন ছেলে পিছু কুরুক্ষেত্রে ৭৪৩ জন, ঝাজ্জরে ৭৮১ জন এবং রেওয়ারিতে ৭৮০ জন মেয়ে ছিল। ২০১৮–র শেষে প্রতি ১০০০ জন ছেলে পিছু তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে কুরুক্ষেত্রে ৯২৪, ঝাজ্জরে ৯১১ এবং রেওয়ারিতে ৯০৪ জন মেয়ে। হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রীর অতিরিক্ত মুখ্যসচিব রাকেশ গুপ্তা জানালেন, রাজ্যজুড়ে ডায়াগনিস্টিক সেন্টারগুলিতে ৬৫০ বার পুলিসি অভিযান, ভ্রুণের লিঙ্গ নির্ধারণে কড়া নজরদারি চালনোর ফলেই এই লাভ হয়েছে।   

জনপ্রিয়

Back To Top