আজকালের প্রতিবেদন: ‌প্রযুক্তির যত উন্নতি হচ্ছে, ততই বাড়ছে মানসিক সমস্যা। কিন্তু বর্তমান সময়ে প্রযুক্তিকে একেবারে অস্বীকার করারও উপায় নেই। এই ডিজিটাল সময়ে মানসিক স্বাস্থ্য ঠিক রাখার বিষয়ে একাধিক কর্মসূচি নিয়েছে ‘‌ইন্ডিয়ান সাইকিয়াট্রিক সোসাইটি।’‌ বুধবার কলকাতায় শুরু হয়েছে তাঁদের ৭২তম বার্ষিক জাতীয় আলোচনাসভা। চলবে ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত। এদিনের আলোচনাসভার বিষয় ছিল ‘‌স্মার্ট সায়কিয়াট্রি ইন ডিজিটাল এরা’‌।
বক্তারা জানান, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী, মহামারীর আকার নিতে চলেছে মানসিক অবসাদ। ‌প্রতিটি মানুষের ব্যক্তিত্ব আলাদা হলেও একটা সময়ে সবারই পারিপার্শ্বিক বিভিন্ন কারণে মানসিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। এক্ষেত্রে দরকার সাহায্যের হাত, মানসিকভাবে সাহায্য করা। এই রোগের নিরাময়ের জন্য সচেতনতা প্রয়োজন। মনের মধ্যে জমে থাকা সমস্যা দূর করতে কাউন্সেলিং করাও প্রয়োজন। বেলুড় রামকৃষ্ণ মিশন বিবেকানন্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য স্বামী আত্মপ্রিয়‌নন্দ বলেন, মানুষের উচিত আগে নিজেকে ভালবাসা। নিজেকে ভালবাসা মানে স্বার্থপরতা নয়। নিজের শরীর ও মনকে ভাল না বাসতে পারলে অন্যকে ভালবাসা যায় না। তাই একলা থাকলে নিজের সঙ্গ উপভোগ করা উচিত। মানুষ নিজেকে ভালবেসে গ্রহণ করতে না পারলে অন্যের সঙ্গও উপভোগ করতে পারেন না।
সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ। তিনি মানসিক স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিভিন্ন আইনের উল্লেখ করে জানান, এটি মানুষের মৌলিক অধিকারের মধ্যে পড়ে। বিচারকদেরও ‘‌বিহেভেরিয়াল সায়েন্স’‌ পড়তে হয়। এতে বিচারের ক্ষেত্রে মানুষের মানসিকতা বোঝা সহজ হয়। উপস্থিত ছিলেন ইন্ডিয়ান সাইকিয়াট্রিক সোসাইটির প্রেসিডেন্ট ডাঃ মুরুগেশ বৈষ্ণব, ভাইস প্রেসিডেন্ট ডাঃ পি কে দালাল, সাধারণ সম্পাদক ডাঃ বিনয় কুমার প্রমুখ। এসেছিলেন দেশ–বিদেশের মনোচিকিৎসকেরা। ‌‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top