আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ করোনা পরীক্ষায় ‌ট্রুন্যাট টেস্টিং পদ্ধতির ওপর বেশি ভরসা রাখছে ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ। বর্তমানে আরটি–পিসিআর পদ্ধতিতেই করোনা পরীক্ষা চলছে। তবে টেস্টিং পদ্ধতি নিয়ে সাম্প্রতিক ট্রায়ালে দেখা যাচ্ছে, ট্রুন্যাট টেস্টিং মেশিনে খুব তাড়াতাড়ি রোগীর করোনা পরীক্ষা সম্ভব হচ্ছে। এই টেস্টিং পদ্ধতিতে সবুজ সঙ্কেত দিয়েছে স্বাস্থ্যমন্ত্রকও। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এক্ষেত্রেও রিভার্স ট্রান্সক্রিপটেজ–পলিমারেজ চেইন রিঅ্যাকশন পদ্ধতিই কাজে লাগানো হয়। তবে তা একটু অন্য ভাবে। ট্রুন্যাট মেশিনে চিপ লাগানো থাকে। যা খুব সহজেই নমুনা থেকে ভাইরাসের স্ট্রেন চিহ্নিত করতে পারে। ফলে পরীক্ষার রিপোর্ট পেতে বেশি সময় লাগে না। বর্তমানে যে আরটি–পিসিআর পদ্ধতি কাজে লাগানো হচ্ছে, তাতে নমুনা থেকে আরএনএ ছেঁচে সেটিকে ডিএনএ–তে রূপান্তরিত করা হয়। তারপর তার ওপর পরীক্ষা নিরীক্ষা চালিয়ে বোঝা যায়, পজিটিভ না নেগেটিভ। কিন্তু ট্রুন্যাট পদ্ধতিতে গোটা কাজটাই করে ওই চিপ। নমুনা থেকে ওই চিপ–ই খুঁজে বের করবে ভাইরাসের স্ট্রেনের অস্তিত্ব। এই ট্রুন্যাট মেশিন মূলত যক্ষ্মা রোগের চিকিৎসায় কাজে লাগে। এবার এই টেস্ট কিটকে এবার একটু অন্যরকম ভাবে তৈরি করে কোভিড পরীক্ষায় কাজে লাগানো হবে বলে জানা গিয়েছে। পুণের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ভাইরোলজি ইতিমধ্যেই এই টেস্ট কিচ বানানো শুরু করে দিয়েছে বলে খবর। এই ট্রুন্যাট মেশিন তৈরি করেছে গোয়ার মোলবিও ডায়াগনস্টিকস প্রাইভেট লিমিটেড। চিফ টেকনিক্যাল অফিসার চন্দ্রশেখর নায়ার বলেছেন, এই টেস্ট কিটের সাহায্যে তিন চার রকমের রোগ পরীক্ষা সম্ভব একসঙ্গে। কোভিডের পাশাপাশি যক্ষ্মা, এইচআইভি, ম্যালেরিয়া রোগের পরীক্ষা করা যায় ট্রুন্যাট টেস্টিং মেশিনে। 

জনপ্রিয়

Back To Top