আজকালের প্রতিবেদন: ই–সিগারেটে নিষেধাজ্ঞা নেশা ছাড়তে চাওয়া ধূমপায়ীদের ক্ষতি করবে বলেই মনে করছে এভিআই (‌‌অ্যাসোসিয়েশন অফ ভেপারস ইন্ডিয়া)‌। ‌তাঁদের দাবি, ধূমপান ছাড়ার বিভিন্ন পদ্ধতির মধ্যে সবথেকে ফলদায়ক হল ই–সিগারেট। সরকার নিষেধাজ্ঞা চাপিয়ে সেই পথ বন্ধ করে দিল। মোদি সরকারের এই সিদ্ধান্তে তামাক–লবি ও সিগারেট সংস্থাগুলির জয় হল বলে মনে করছেন তাঁরা। মূলত তামাকের নেশা থেকে মুক্তির জন্য ধূমপায়ীরা এই বিকল্পের শরণাপন্ন হন।
কলকাতা প্রেস ক্লাবে এভিআই–এর তরফে জানানো হয়, কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তের পরেই বড় সিগারেট সংস্থাগুলির শেয়ারের দর বাড়তে শুরু করে। তাই তাঁরা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ই–সিগারেটের ওপর নিষেধাজ্ঞার বিরোধিতা করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি দেবেন। প্রয়োজনে আইনি পথেও হাঁটবেন। ডা.‌ সৈকত বারিক জানান, সিগারেটের সব থেকে ক্ষতিকারক দিক হল আঠা। যা দিয়ে সিগারেটের কাগজ রোল করা হয়। প্লাস্টিকে তৈরি আঠা পুড়ে প্রায় ১৫ ধরনের রাসায়নিক নির্গত হয়। জানান, সিগারেটের তুলনায় বিড়িতে ক্ষতি অনেক কম। সরকারের যুক্তি, অল্পবয়সীরা ই–সিগারেটে আসক্ত হয়ে পড়ছে। ভারতে কতজন ই–সিগারেট ব্যবহার করেন? কোনও তথ্য অবশ্য সরকারের কাছে নেই। এদিন প্রেস ক্লাবে এভিআই–এর তরফে বক্তব্য পেশ করেন মণীশ কাসেরা, শুভদীপ সরকার ও সুদীপ্ত মিত্র।

জনপ্রিয়

Back To Top