ডাঃ পল্লব বসুমল্লিক
শনিবারই কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রায় ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছুঁয়েছে। পয়লা বৈশাখের আশপাশে কি তাহলে ৪০ ডিগ্রি?‌ আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস, ভারতে এবার ভালই গরম পড়বে। তাহলে কি কোভিড–‌১৯ ভ্যানিশ হবে গরমে?‌ বিশ্বের সেরা ভাইরোলজিস্ট ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা এ ব্যাপারে একেবারেই ঐকমত্যে পৌঁছতে পারছেন না। একদল মনে করছেন ভাইরাস সাধারণত ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস অবধি সহ্য করতে পারে। সুতরাং পারদ ৩৭ বা ৩৮ ডিগ্রি টপকালে এবং ভারতের মতো শুকনো আবহাওয়ায়‌ তার বাঁচার সম্ভাবনা একেবারে নেই। চীনের উহানে প্রথম কেস ধরা পড়ে ১০ জানুয়ারি। তখন সেখানে প্রবল শীত। ইতালি, স্পেন, ইরান এমনকী আমেরিকাতেও জানুয়ারি বা ফেব্রুয়ারি ঘোষিত শীতকাল। তুলনায় অস্ট্রেলিয়া কিংবা ভারতে তাপমাত্রা বেশি থাকায় নোভেল করোনাভাইরাসের হানা এখনও তত ভয়ঙ্কর হয়নি। তবে কোভিড–‌১৯ সম্পর্কে, তার চরিত্রের সম্পূর্ণ বিশ্লেষণ না হওয়ায় এখনই কোনও মন্তব্য করতে রাজি নন বিশ্বের সেরা এক্সপার্টরা। করোনাভাইরাসের ঘন ঘন চরিত্র পরিবর্তন বা মিউটেশনের প্রবণতা বিশেষজ্ঞদের আরও বিভ্রান্ত করছে। একশ্রেণির ভাইরোলজিস্ট মনে করছেন, নভেম্বর নাগাদ যখন ভারতের অনেক জায়গায় পারদ নামতে শুরু করবে, করোনাভাইরাস আবার ফিরে আসবে।‌ শীতকাল আমাদের বিপদে ফেলতেই পারে। নিউ জার্সি মেডিক্যাল স্কুলের গবেষক ডেভিড সেন্নিমো বলেন, এত ভয়ঙ্কর না হলেও এইচ১এন১ ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো করোনাও আবার থাবা বসাতে পারে শীতকালে। সম্পূর্ণ নির্মূল সে এত সহজে হবে না। গরমে তার থেকে সাময়িক নিষ্কৃতি মিলতে পারে বড়জোর।
 

জনপ্রিয়

Back To Top