আজকাল ওয়েবডেস্ক: অতিমারীর দ্বিতীয় ঢেউয়ের ধাক্কায় শোচনীয় অবস্থা ভারতের। একই সময়ে প্রস্তুতি চলছে ১৮-৪৫ বছরের জন্য টিকাকরণের প্রস্তুতি। এমতাবস্থায় সাধারণ মানুষের মনে নানা প্রশ্ন ঘুরে। যে প্রশ্ন সবথেকে বেশি ভাবাচ্ছে তা হল, বাবা-মা টিকা নিয়েছেন, কিন্তু সন্তান নেননি। সেক্ষেত্রে বাবা-মা’র থেকে কি সন্তানের করোনা আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা আছে?
বিশেষজ্ঞেরা বলছেন, কোভিড-১৯-এর টিকা সদ্যই বাজারে এসেছে। এ নিয়ে এখনও প্রচুর গবেষণা, পরীক্ষা-নিরীক্ষা বাকি। তবে একটা বিষয় নিশ্চিত, টিকা নেওয়ার পর করোনা ভাইরাসের মারাত্মক প্রভাব পড়ে না আর। কোভ্যাক্সিক, কোভিশিল্ড এবং স্পুটনিক ভি— ভারতের অনুমোদিত তিনটি প্রতিষেধকই হাসপাতালে ভর্তি হওয়া এবং মৃত্যুর আশঙ্কা কমিয়ে দেয়। এর অর্থ টিকা নেওয়া ব্যক্তিরা ‘অ্যাসিম্পটম্যাটিক’ অর্থাৎ কোনও লক্ষণ না দেখালেও তারা একজন সুস্থ ব্যক্তির শরীরে ভাইরাসটি বাহিত করতে পারেন। 
তবে এক্ষেত্রে কিছু লক্ষণীয় বিষয় রয়েছে। যদি টিকাপ্রাপ্ত ব্যক্তি বাড়িতেই থাকেন তবে ফের জীবাণু বহন করা এবং বাহিত করার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। এমনকী বাইরে বেরলেও, কোভিড-বিধি মেনে চললে সমস্যা নেই। সম্প্রতি দেশি প্রতিষেধক প্রস্তুতকারক ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ (আইসিএমআর) জানিয়েছে, টিকা নেওয়ার ০.০৪ শতাংশেরও কম ব্যক্তি করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন। অর্থাৎ, টিকা নেওয়ার পর বাড়ির প্রবীণ ব্যক্তিরা বাড়ি থাকলে, বা কোভিড বিধি মেনে চললে তাঁদের থেকে তরুণ প্রজন্মের সংক্রামিত হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। সতর্ক থাকতে হবে তরুণ প্রজন্মকেই।      
 

জনপ্রিয়

Back To Top