আজকাল ওয়েবডেস্ক: হৃদয় জোড়া লাগার দিন এসে গেল। রাত পোহালেই ভ্যালেন্টাইনস্‌ ডে। ভালবাসার মানুষেরা একে অপরের সঙ্গে হাতে হাত রেখে এগিয়ে চলার প্রতিজ্ঞা করবে এদিন। দুই হৃদয় এক হবে। কিন্তু সব ঘরে গল্প সমান নয়। প্রেমের আবহাওয়ায় কারওর না কারওর মনও ভাঙছে। প্রেমে আঘাত পেয়েছে?‌ ক’‌দিন পর ঠিক হয়ে যাবে। কারওর সঙ্গে ঝগড়া হয়েছে?‌ ও ঠিক হয়ে যাবে। ভীষণ একা একা লাগে? তা সিনেমা দেখলেই ঠিক হয়ে যাবে। এভাবে অনেক কিছুকেই আমরা পাত্তা দিই না। কিন্তু জানেন কি? এখান থেকেই জন্ম নেয় একটি মারণ রোগ। ব্রোকেন হার্ট বা ভগ্ন হৃদয়। এই অসুখের কারণ যে খুব স্পষ্ট, তা নয়। যেটুকু বোঝা গিয়েছে তা হল, কারওর যদি অতিরিক্ত আবেগ থাকে, আর তা যদি আঘাতপ্রাপ্ত হয় তখন এই রোগের সম্ভাবনা তৈরি হয়। এছাড়া প্রচণ্ড মানসিক চাপে থাকলে ব্রোকেন হার্টে আক্রান্ত হতে পারেন মানুষ। এক্ষেত্রে শরীরে অ্যাড্রিনালিন এর মতো স্ট্রেস হরমোন বেরতে থাকে, যা হার্টের ক্ষতি করে। এই রোগের প্রসঙ্গে ফর্টিস হাসপাতালের ডাক্তার কেএম মন্দনা জানালেন, ‘‌কোনও কাছের মানুষকে হারালে, ঘরোয়া হিংসার শিকার হলে, উত্তপ্ত তর্কবিতর্কে জড়িয়ে পড়লে, এই রোগে আক্রান্ত হতে পারে মানুষ। এছাড়াও ভারী কোনও অস্ত্রোপচার হলেও এই রোগ জন্ম নিতে পারে।’‌  ‌ 
ব্রোকেন হার্ট ছাড়া এই রোগের আরও তিনটি নাম রয়েছে। কার্ডিওমায়োপ্যাথি, টেকট্‌সুবো কার্ডিওমায়োপ্যাথি বা এপিক্যাল বেলুনিং সিনড্রোম। 
এই অসুখের উপসর্গ কিছুটা হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার মতো। বুকে ব্যথা হয় এবং হালকা শ্বাসকষ্ট থাকে।
বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বয়স্ক মহিলাদের মধ্যেই এই রোগ বেশি দেখা যায়। পুরুষদের ক্ষেত্রেও দেখা যায়, কিন্তু সংখ্যায় কম। মানসিক চাপ সহ্য করার ক্ষমতা কতটা রয়েছে একজনের হার্টে, তার ওপর নির্ভরশীল এই রোগটি। ‌‌‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top