আজকালের প্রতিবেদন: আধুনিক প্রযুক্তি–‌সহযোগে ও মানুষের সাধ্যের মধ্যে বোনম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট ইউনিট (‌বিএমটি)‌ শুরু করল হাওড়ার নারায়ণা সুপারস্পেশ্যালিটি হাসপাতাল। এ বছরের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে চিকিৎসা শুরু হলেও, মঙ্গলবার কলকাতা প্রেস ক্লাবে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয় এই ইউনিটের। সাংবাদিক বৈঠকে বোন ম্যারো প্রতিস্থাপনের ফলে সুস্থ–‌হওয়া হাসপাতালের প্রথম রোগী সুমা ভট্টাচার্য নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলেন। হেমাটোঅঙ্কোলজিস্ট ডাঃ রাজীব দে বলেন, থ্যালাসেমিয়া, লিউকোমিয়া, অ্যাপলাস্টিক অ্যানিমিয়া, মায়োলমা, লিম্ফোমা–‌সহ রক্তের বিভিন্ন জটিল রোগের সর্বোত্তম চিকিৎসা বোনম্যারো বা অস্থিমজ্জা প্রতিস্থাপন। রোগীর নিজের শরীর থেকে অস্থিমজ্জা নিয়ে প্রতিস্থাপন (‌অটোলগাস)‌ পদ্ধতি এখন শুরু হয়েছে। আগামী বছরে ডোনারের থেকে নিয়ে অর্থাৎ অ্যালোজেনিক পদ্ধতি শুরুর পরিকল্পনা রয়েছে। যেখানে অন্যান্য জায়গায় অটোলগাস পদ্ধতিতে অন্তত ৮ থেকে ১০ লক্ষ টাকা খরচ হয়, সেদিক থেকে এখানে মানুষের সাধ্যের মধ্যে বিশেষ প্যাকেজের অধীনে চিকিৎসা করা হবে বলে ঘোষণা করেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এদিন ছিলেন চিকিৎসক বাসব বাগচী, বিবেক আগরওয়াল, উজল মানি, সুমন মল্লিক, চন্দ্রকান্ত এম ভি প্রমুখ।    ‌‌

হাওড়ায় নারায়ণা সুপারস্পেশ্যালিটি হাসপাতালের বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট ইউনিটের উদ্বোধনে 
সুস্থ হয়ে ওঠা সুমা ভট্টাচার্যের সঙ্গে ডাঃ রাজীব দে, ডাঃ উজল মানি ও ডাঃ সুমন মল্লিক। 
প্রেস ক্লাবে, মঙ্গলবার। ছবি:‌ দীপক গুপ্ত

জনপ্রিয়

Back To Top