আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ পুজোর পর থেকে প্রায় পয়লা বৈশাখ। বছরের এই সময়টায় শুধু শহর নয়, জেলায় জেলায় একের পর এক অনুষ্ঠান চলত। কোনও মঞ্চে হয়তো নাচছেন শ্রাবন্তী। কোথাও আবার গান গাইছেন লোপামুদ্রা। এমনটাই ছিল ছবি। করোনা এসে সব ওলটপালট করে দিয়েছে। এবার সেই ঝড় কাটিয়েই ধীরে ধীরে মাথা তুলে দাঁড়াচ্ছে বাংলা শিল্পীমহল। মঞ্চে ফিরছেন রচনা, রূপঙ্কররা। 
এমনিতে অক্টোবর থেকেই শুরু হয়ে যায় মঞ্চের অনুষ্ঠান। এবার মরসুমের শুরুটা পুরো ফাঁকা গেছে। অনেক শিল্পীই সাহস করে মঞ্চে নামতে চাননি। তবে ধীরে ধীরে সেই আতঙ্ক কাটিয়ে উঠেছেন তাঁরা। দিন কয়েক আগে নিজের শোয়ের ছবি ফেসবুকে পোস্ট করেছেন রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। জানিয়েছেন, প্রতি বছর অক্টোবরে শো শুরু করলেও এবার অনেকটাই দেরি হল। কারণ সেই কোভিড।
২৫ ডিসেম্বর থেকে মঞ্চে ধরা দিয়েছেন শ্রাবন্তীও। জানিয়েছেন, আগামী দিনে অনেক শো রয়েছে হাতে। মঞ্চে শো শুরু করেছেন রূপঙ্কর, লোপামুদ্রা, নচিকেতা চক্রবর্তীরাও। তবে সেই শোয়ের সংখ্যা অনেকটাই কম। সেকথা যেমন স্বীকার করেছেন শিল্পীরা, তেমন স্বীকার করলেন আয়োজকরাও। আগে যেখানে এক এক জন শিল্পী মাসে ২০ থেকে ২৫টি শো করতেন, এখন বড়জোর পাঁচ–সাতটি শো করছেন। 
তাছাড়া কোভিডের কারণে দর্শকের সংখ্যাও নিয়ন্ত্রণে রাখতে হচ্ছে। সে কারণে ক্ষতির মুখে পড়ছেন আয়োজকরা। তাঁদের অভিযোগ, এই পরস্থিতিতে কোনও শিল্পীই পারিশ্রমিক কমাতে চাইছেন না। উল্টে কেউ কেউ বাড়িয়েও দিয়েছেন। ফলে এই জলসার সঙ্গে জড়িত বহু মানুষের পেটে টান পড়ছে। শিল্পীরা যদিও এই টাকা বেশি নেওয়ার অভিযোগ মানেননি। তবে উভয় পক্ষের একটাই কথা, একেবারে বন্ধ থাকার থেকে এটাই ভালো। তাতে সকলেরই রোজগার অন্তত হবে এই মন্দার বাজারে। 

ছবি:‌ ফেসবুক থেকে

জনপ্রিয়

Back To Top