আমি অবসাদগ্রস্ত নই যে পরকীয়া করব: 'শিক্ষাগুরু' কাঞ্চনকে নিয়ে মুখ খুললেন শ্রীময়ী চট্টরাজ

আজকাল ওয়েবডেস্ক: ত্রিকোণ প্রেমের সম্পর্ক মানেই, তৃতীয় ব্যক্তির উপর আঙুল তোলা সমাজের অভ্যাস। তথাকথিত এই ধারণাই ক্ষতবিক্ষত করে দিচ্ছে শ্রীময়ীকে। কাঞ্চন মল্লিক এবং পিঙ্কি ব্যানার্জির বহুদিনের সংসারে ফাটল ধরেছে শ্রীময়ী চট্টরাজের জন্য। এই রটনাই জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিল তিনজন মানুষের। রবিবার এই ঘটনা নিয়েই তোলপাড় গোটা সোশ্যাল মিডিয়া। অবশেষে সোশ্যাল মিডিয়ায় মুখ খুলতে বাধ্য হলেন শ্রীময়ী। জানালেন, কাঞ্চন মল্লিকের কাছে অভিনয়ের পাঠ নিয়েছেন তিনি। ২০১৮ সালে কলেজের গণ্ডি পেরিয়ে অভিনয়ে পা রেখেছেন তিনি। শুরু থেকেই সাহায্য করেছেন 'দাদা' কাঞ্চন মল্লিক। তাঁকে নিয়ে এই রটনায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন তিনি। শ্রীময়ী সাফ জানান, তিনি মানসিক অবসাদগ্রস্ত নন যে পরকীয়া করবেন। তাঁর বিরুদ্ধে যাঁরা লাগাতার 'ঘর-ভাঙানি' বিশেষণ ব্যবহার করছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে সরব হলেন অভিনেত্রী। জানালেন, তিনি যদি সত্যিই দোষী হতেন, তাহলে লুকিয়ে থাকতেন। সর্বসমক্ষে এই 'মিথ্যে রটনা'র কারণ জানতে চাইতেন না। ইন্ডাস্ট্রি সম্পর্কে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন তিনি। জানান, এর পর তাঁকে কাজ দেবেন না কেউ। এই রটনার পর পরিবারের কারও কাছে মুখ দেখাতে পারবেন না তিনি। ইন্ডাস্ট্রির সবাই ভুল বুঝবেন তাঁকে। এখানেই শেষ নয়। শ্রীময়ী এও জানান, 'পিঙ্কি বৌদির সমস্ত অভিযোগ মিথ্যে।' সংবাদমাধ্যমে তিনি যেসমস্ত অভিযোগ করেছেন, তার কোনওটাই ঘটেনি সেদিন রাতে। তাঁর উপর চড়াও হননি শ্রীময়ী। এমনকি কাঞ্চনদা'র ছোট্ট ছেলে সেই রাতে চিৎকারও করেননি। শ্রীময়ী'র মতে, ইন্ডাস্ট্রিতে পা রাখার পর কাঞ্চন মল্লিকের কাছ থেকে অনেক সাহায্য পেয়েছেন। সেই অর্থে তাঁর শিক্ষাগুরু। এই রটনায় হতবাক কাঞ্চন মল্লিক নিজেও। এতবছর ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করেছেন। কোনও দিন তাঁর বিরুদ্ধে কেউ গুজব ছড়াননি। হঠাৎ বিধায়ক হওয়ার পর এই রটনা কেন! শ্রীময়ীকেও গুজব এড়িয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন। কিন্তু পিঙ্কি ব্যানার্জির বিস্ফোরক মন্তব্যের পরেই কারণ জানতে কাঞ্চনের সঙ্গে গিয়েছিলেন তিনি। নিজের অবস্থান সম্পর্কে জানাতে আইনের পথেই হাঁটবেন শ্রীময়ী। সোশ্যাল মিডিয়াতেই জানান, মিথ্যে অভিযোগ কখনই তিনি মুখ বুঝে সহ্য করবেন না। কারণ এটা ভবিষ্যতে তাঁর কাজের ক্ষতি করবে আরও।