আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ মূকাভিনয় শিল্পটির সঙ্গে অনেকেই পরিচিত। বহু গুণী মানুষের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় এই শিল্প মানুষের আকর্ষণ লাভ করেছে। ২০০১ সালে ‘‌মাইমওয়ালা’‌ নামে মূকাভিনয়ের একটি দল তৈরি হয়। গবেষণামূলক পরীক্ষা–নিরীক্ষার মাধ্যমে এই শিল্পে আর কোনও মাত্রা যোগ করা যায় কিনা সেটাই ছিল এই সংস্থার উদ্দেশ্য। 
বহুল ব্যবহৃত মূক–ভঙ্গিমাগুলির মাত্রাতিরিক্ত প্রযোজনা এই মাধ্যমকে মুমূর্ষূ করেছে। শুধু তাই নয় মাইম শিল্প নিছক কৌতুক পরিবেশনের মাধ্যম নয়, বরং চিন্তায় আধুনিকতার মোড়কে সাম্প্রতিক বিষয়বস্তুর অন্তর্দ্বন্দের প্রকাশই এই চর্চার লক্ষ্য। যা সমসাময়িক নাট্যশিল্পের বিশেষত্ব। এই দুই শিল্প মাধ্যম (‌মূকাভিনয়–নাটক)‌ এর সংমিশ্রণে অন্য এক মাধ্যম সৃষ্টি করা যায় কিনা তাও দেখা যেতে পারে।

এই সমস্ত উদ্দেশ্য ও ভাবনায় সৃষ্ট অণ্বেষণের তাড়নায় জন্ম হল মাইমওয়ালাদের। 
এই সংস্থার সাম্প্রতিক প্রযোজনা, ‘‌কবিতা ও মাইম’‌ সবার কাছে প্রশংসিত হয়েছে। মাইমওয়ালার প্রযোজনাগুলি প্রত্যন্ত গ্রামীণ পরিবেশে যেমন পরিবেশিত হয়েছে। তেমনই শহরের বিভিন্ন জায়গায় ও ন্যাশনাল ইয়ুথ মাইম ফেস্টিভ্যাল, ন্যাশনাল মাইম ফেস্টিভ্যাল ও পশ্চিমবঙ্গ নাট্যমেলার মত উৎসবেও পরিবেশিত হয়েছে। 
সংস্থার কান্ডারী বা প্রধান মাইমওয়ালা শ্রী দেবাশীষ গাঙ্গুলী মূকাভিনয় শিল্পী শ্রী দেবকুমার পালের সুযোগ্য ছাত্র। তারই পরিকল্পনায় ‘‌সাউন্ড অব সাইলেন্স’‌ নামে সংস্থার একটি ডিভিডি প্রকাশিত হয়েছে এবারের কলকাতা বইমেলায়। প্রকাশ করেছেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী শ্রী ব্রাত্য বসু।‌

জনপ্রিয়

Back To Top