আজকাল ওয়েবডেস্ক: সারা বিশ্ব এখন প্রায় ঘরবন্দী অবস্থায় করোনা আক্রমণের মোকাবিলা করছে। স্বাভাবিকভাবেই ঘরে বসে একটানা সময় কাটানোও মুশকিল হচ্ছে অনেকেরই। ভারতে সোশ্যাল নেটওয়ার্কে দেখা যাচ্ছে কেউ বলছেন পাখার ব্লেড গুণে সময় কাটাচ্ছেন, কেউ বা আবার বলছেন এক কাপ চিনিতে কতগুলো চিনির দানা থাকে, সেটা তাঁরা খুজে পেয়েছেন এই অবসরে। আর এই অফুরান অবসরের  সময়েই টেলিভিশনের পর্দায় হয়তো ফিরতে চলেছে ৮ এর দশকের রামায়ন। ১৯৮৭ সালের ২৫ জানুয়ারি থেকে ১৯৮৮ এর ৩১ জুলাই অবধি দূরদর্শনের পর্দায় চলেছিল এই মহাকাব্য। টেলিভিশনে সম্প্রচারিত হওয়া এই রামায়নের লেখক, পরিচালক দুইই ছিলেন রামানন্দ সাগর। বুধবার প্রসার ভারতীর সিইও শশী শেখর টুইট করে জানিয়েছিলেন প্রসার ভারতী রামায়ণ মহাভারত টেলিভিশনের পর্দায় ফেরাতে চায়। ইতিমধ্যেই তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী প্রকাশ জাভরেকর টুইট করে জানিয়েছেন প্রসার ভারতীর এই উদ্যোগে দেশবাসীর জন্য তিনি খুশি। মহাভারতও সম্প্রচারের চেষ্টা করা হবে দ্রুত।

মোট ৭৫ টি রবিবার ধরে এই রামায়ণ যে সময়ে সম্প্রচারিত হত দূরদর্শনে, সে সময়ে মানুষের হাতে এত মোবাইল ফোন ঘুরত না। ফলে দৈনন্দিন জীবনের ছন্দে আজকের মতো এত বেশি গতি ছিল না। মানুষের কাছে রবিবার মানেই পথঘাট শুনসান, অবসরের আড্ডা আর অবশ্যই টেলিভিশনের রামায়ণ , মহাভারতের মতো মহাকাব্যই ছিল বিনোদন। 
২৮শে মার্চ অর্থাৎ আজ সকাল ৯-১০ টা যাঁরা দেখে উঠতে পারেননি। তাঁরা রাত ৯টা থেকে ১০টা টিভির সামনে বসে পুরনো দিনগুলো একবার ঝালিয়ে নিতেই পারেন। কারণ ঘোষণা করা হয়েছে ২৮ শে মার্চ থেকে এই সম্প্রচার হবে সকাল ৯-১০ টা এবং রাত ৯-১০টা।

অনেকেই মনে করছেন, এটা খুবই ভালো উদ্যোগ। লকডাউন পরিস্থিতিতে মানসিক অস্থিরতা অনেকটাই কাটানো যাবে সহজে। তবে এখানেও ছোট্ট একটা কিন্তু থাকছে, কেউ কেউ আবার বলছেন সে সময়ে হামলোগ, মালগুডি ডে’স এর মতো জনপ্রিয় ধারাবাহিকগুলোও তো আছে। সেগুলো না দেখিয়ে এই হিন্দু পুরাণের গল্পগুলোই কেন সম্প্রচারিত করা হচ্ছে?

জনপ্রিয়

Back To Top