‌আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ সঞ্জয় লীলা বনশালির পদ্মাবত মুক্তির পর থেকেই একটা বিষয় মাথায় আসছে— সিনেমা দেখার পরে বিক্ষোভের কথা ভাবতে পারত করনি সেনা। বিতর্কের রেশমাত্র নেই এই সিনেমায়। বরং ভাল হিন্দু এবং খারাপ মুসলমানের তত্ত্ব— হালফিল যে সমীকরণ ঘিরে দেশ উত্তাল, তাকেই মান্যতা দিয়েছেন বনশালি। অনেকে এটাও বলছেন, নামেই পদ্মাবত, আসলে পুরো সিনেমার ভাবনা তাঁরই। কেবল চরিত্রগুলো ধার করেছেন জয়সির ‘‌পদ্মাবত’‌ থেকে।  ‌রাজপুত রাজা রতন সিং যে চরিত্রে অভিনয় করেছেন শহিদ কাপুর তিনিই এই সিনেমার হিরো। স্বাভাবিকভাবেই আলাউদ্দিন খিলজি যে চরিত্রে অভিনয় করেছেন তাকে ভিলেন হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। আর পদ্মাবতী রয়েছেন তাঁর অপার সৌন্দর্য নিয়ে। প্রথম যখন তাঁকে দেখা যায় তখন তিনি আপন মর্জির মালিক। সেই তাঁরই পরিণতি হল কিনা জহর ব্রতে!‌ পরুষতান্ত্রিক সমাজ নির্দিষ্ট পথেই হেঁটেছেন বনশালী। জওহর ব্রতই শ্রেষ্ঠ উপায় এমনটাই তুলে ধরেছেন তিনি। 
একটা সময় দেখা যাচ্ছে সঙ্গীদের নিয়ে আগুনে ঝাঁপ দেবেন দীপিকা। সঙ্গে রয়েছেন হাজার হাজার সহযোগী। একজন সন্তানসম্ভবা মহিলাও আগুনে ঝাঁপ দিচ্ছেন। তবে এতকিছুর পরেও দুঃখে ভাসবেন না দর্শক। কারণ, বনশালি যে বিপুল খরচে সেট এবং পোশাক বানিয়েছেন তাতে দর্শকের চোখ ধাঁধিয়ে যেতে বাধ্য। ‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top