‌‘‌মাই সিনেমা হল’– এর উদ্যোগে স্বল্পদৈর্ঘ্যের চলচ্চিত্র উৎসব, বিচারকের পদে অপর্ণা সেন, অনিক দত্ত প্রমুখ 

আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ আসছে পুজো। কোভিড থাকুক না থাকুক। বেঁচে থাকার রসদ তো চাই মানুষের। সেখানে বিনোদনের মতো ভাল কীই বা হতে পারে। তাই বাংলার মানু্ষের কাছে বিনোদনের রাস্তা খুলে দিল ‘‌মাই সিনেমা হল’। স্বল্প দৈর্ঘ্যের বাংলা চলচ্চিত্র উৎসব শুরু করতে চলেছে তারা কলকাতায়। ‘‌মাই শর্টস’‌– এ ছবির প্রদর্শনের সঙ্গে অর্থ উপার্জনের সুযোগও রাখা হয়েছে। নির্বাচিত সব ছবিই দুর্গা পুজোর সময়ে দেখানো হবে। একটি ছবি বানানোর পেছনে যে পরিমাণ পরিশ্রম ও অর্থসাহায্যের প্রয়োজন পড়ে, সেকথা মাথায় রেখে অনেক ভাল পরিচালকই ছবি বানানোর কথা ভেবেও পিছিয়ে আসেন। বলা যায়, তাঁদেরই জন্য উপায় বের করল ‘‌মাই সিনেমা হল’। প্রতিটি ছবি থেকে উপার্র্জিত অর্থ ছবি নির্মাতাদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া হবে। ‘‌মাই সিনেমা হল’– এর কর্ণধার কল্যাণময় চট্টোপাধ্যায় জানালেন, ‘‌তরুণ নির্মাতাদের সৃষ্টি প্রদর্শনের এক বিরাট সুযোগ এনে দেবে এই উৎসব।  ইতিমধ্যেই আমরা অনেক সাড়া পেয়েছি। পরবর্তীকালে অন্যান্য আঞ্চলিক ভাষাতেও স্বল্প দৈর্ঘের ছবি দেখানোর পরিকল্পনা রয়েছে আমাদের।’‌ এই উৎসবের বিশেষ আকর্ষণ বিচারকেরা। জুরিদের প্রধান পরিচালক ও অভিনেতা অপর্ণা সেন। বিখ্যাত চলচ্চিত্র সম্পাদক অর্ঘ্যকমল মিত্র। পরিচালক অনিক দত্ত। সিনেমাটোগ্রাফার অভীক মুখোপাধ্যায়। নাট্যব্যক্তিত্ব সোহাগ সেন। জুরিবোর্ড নির্বাচিত ছবি যেমন পুরস্কার পাবে, তেমনই দর্শকের পছন্দকেও এখানে গুরুত্ব দেওয়া হবে। তাঁরা যেই ছবিটিকে সবথেকে বেশি পছন্দ করবেন, সেই ছবিটিও বিশেষ পুরস্কারের ভাগীদার হবে। 
জুরি চেয়ারপার্সন অপর্ণা সেন জানালেন, ‘‌এরকম অনেক ভাল ভাল ছোট ছবি বানানো হয়, যা মানুষের কাছে পৌঁছায় না। বা দেশবিদেশের উৎসবে পাঠানোর ক্ষমতা থাকে না সবার। তাই সেসমস্ত নির্মাতাদের জন্য এই চলচ্চিত্র উৎসব ও প্রতিযোগিতাটি একটি বড় সুযোগ। আপনারা এগিয়ে আসুন।’‌
‘‌মাই সিনেমা হল’ একটি অ্যাপভিত্তিক ওটিটি প্ল্যাটফর্ম। মাত্র পাঁচমাস আগের প্রয়াস। এরইমধ্যে একশোর বেশি নাটক, স্বল্পদৈর্ঘ্যের এবং পূর্ণদৈর্ঘ্যের ছবি দেখানো হয়েছে। কেবল বাংলা নয়। হিন্দি, ইংরেজি, অসমিয়া, ওডিয়া ও কন্নড় ছবিও দেখানো হচ্ছে। দর্শকেরা তাঁদের পছন্দের ছবি যেকোনও সময়ে, যেকোনও জায়গায় বসে দেখতে পারবেন। যে ছবিটি দেখছেন কেবল তার জন্যেই টিকিট কাটবেন তাঁরা। সেই টাকা সরাসরি চলে যাবে নির্মাতাদের হাতে। করোনা পরিস্থিতির কী অবস্থা হবে তা কেউ জানে না। তাই এখন বাড়ি বসেই নতুন ছবিগুলি দেখে নিচ্ছে মানুষ। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মকেই এখন আপন করে নিতে হবে। 
ছবি জমা দেওয়ার শেষ তারিখ:‌ ৫ অক্টোবর