Mika-Prantika: বিয়ের পাকা কথা বলতে কলকাতায় ‘জামাইবাবু’ মিকা সিং? ঝটিকা সফরে এসেই জড়িয়ে ধরলেন প্রান্তিকাকে!

শ্যামশ্রী সাহা:  প্রাক বসন্ত পঞ্চমীতে অর্থাৎ বাঙালির ভ্যালেনটাইনস ডে’র আগেই প্রান্তিকা দাসের সঙ্গে দেখা করতে কলকাতায় এলেন মিকা সিং।

গত বছরে মিকার ‘স্বয়ম্বরে’র প্রতিযোগী ছিলেন কলকাতার প্রান্তিকা দাস। দুজনের মিল বেশ। বিয়ের জল্পনা তখন থেকেই। অমিতাভ বচ্চন শুধু নয়, কলকাতার ‘জামাইবাবু’ হতে এগিয়ে মিকা’ও!

 

অনেক দিন পরে আবার দেখা, প্রথমেই জড়িয়ে ধরলেন প্রান্তিকাকে। এর পর বেশ কিছুক্ষণ স্তব্ধ সব কিছু।  দুটি মানুষের আত্মার যোগ? জল্পনা বাড়াচ্ছে বিয়ের প্রসঙ্গও। সব নিয়ে আজকাল ডট ইনের কাছে আবেগের কথা জানালেন প্রান্তিকা দাস।

হঠাৎ কলকাতায় কেন এলেন মিকা সিং? বিয়ের পাকা কথা বলতে?

একদমই না। মিকার একটা অনুষ্ঠান আছে কলকাতায়। ওর গোটা টিম সঙ্গে এসেছে। তবে আমার সঙ্গে দেখা করাটাও ওর কলকাতায় আসার একটা বড় কারণ। আমি খুবই উচ্ছ্বসিত। অনেক দিন পরে দেখা হচ্ছে। ইচ্ছে আছে ওকে গোটা কলকাতা ঘুরে দেখানোর।

এত দিন পর দেখা? কী কথা হল দু’জনের?

মিকা খুবই ইমোশনাল হয়ে গিয়েছিল। আমিও। কথা বলতে পারিনি, জড়িয়ে ধরে ছিলাম। আমরা দুজনেই বিশ্বাস করি যে, এতে সম্পর্কের বাঁধন মজবুত হয়।

বিয়ের কথা হল কিছু?

আসলে ‘স্বয়ম্বরের’ সময় থেকেই আমাদের রসায়ন পছন্দ করেছিলেন অনুরাগীরা। আমি সম্প্রতি যে রিল পোস্ট করেছি সেখানেও অনেকে বলছেন বিয়ের কথা। আমাদের দু’জনকে নাকি একসঙ্গে খুব ভাল লাগে। আমাদের বিয়ে করা উচিৎ!এই সব প্রশংসা শুনে মন ভরে যায়। তবে মিকার গার্লফ্রেন্ড আছে। আমরা শুধুই ভাল বন্ধু।

 

আর কী কী করলে দুজনে?

মিকা আমার জন্য খাবার অর্ডার করেছিল। ভেটকি মাছের ফিশ ফ্রাই, বাঙালি স্টাইলে কষা মাংস, ভাত, একেবারে বাঙালি ভোজ। সবাই খুব আনন্দ করে খেয়েছি। অনেক গল্প করেছি বন্ধুরা মিলে। ডিনারের পরে মিকাকে আমি লেবু আর মধু দিয়ে গ্রিন টি খাইয়েছি। ভেবেছিলাম কালীঘাটে পুজো দিতে যাবো দু’জনে। সেটা আর হলো না।

কোনও উপহার দিলে না মিকাকে?

না। মিকা কলকাতায় এসেছে এটাই আমার কাছে বড় উপহার। আমরা দু’জনে এতদিন পরে এত ভাল সময় কাটালাম, এটা কী উপহারের থেকে কিছু কম।

একটা চুমুও খেলে না?

একটাও না। দিব্যি দিয়ে বলছি! আমরা এসবে বিশ্বাসী না। ওর গার্লফ্রেন্ড আছে, সত্যি বলছি।


 

আকর্ষণীয় খবর