আজকাল ওয়েবডেস্ক: নয়ডা বা গ্রেটার নয়ডার দেশের সবথেকে সুন্দর ফিল্মসিটি তৈরি করার ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। কঙ্গনা অত্যন্ত খুশি জানালেন, গড়ে উঠুক স্বাধীন ফিল্মসিটি। গড়ে উঠুক ভারতীয় সিনেমার প্রাণভূমি।
সুশান্তের মৃত্যুর পর থেকে বলিউড ছত্রখান। মাদকের আঁতুড়ঘর বলে দাবি করেছেন বিজেপির অনেক নেতানেত্রী ও অভিনেতা কঙ্গনা রানৌত। দেশজুড়ে বলিউডের নিন্দায় মুখর মানুষ। যদিও এখনও কিছু প্রমাণিত হয়নি। তারই মাঝে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ জানালেন, তিনি উত্তরপ্রদেশে দেশের সবথেকে সুন্দর ফিল্মসিটি তৈরি করবেন। সূত্রের খবর, কাজ শুরু করার জন্য তাঁর মন্ত্রীদের নির্দেশও দিয়ে দিয়েছেন তিনি। আদিত্যনাথ দাবি, ‘‌দেশে একটি সুস্থ ও সুন্দর ফিল্মসিটির খুব দরকার পড়ে গিয়েছে। উত্তরপ্রদেশ এই দায়িত্ব নিতে প্রস্তুত। আমরা একটি দুর্দান্ত ফিল্মসিটি তৈরি করব নয়ডা অথবা গ্রেটার নয়ডাতে। যমুনা এক্সপ্রেসওয়ের এলাকা ফিল্মসিটির উপযোগী। এর মাধ্যমে যেমন পরিচালকদের জন্য বিকল্প হিসেবে কাজ করবে, অন্যদিকে কর্মসংস্থান সৃষ্টির ক্ষেত্রেও খুব কার্যকর হবে।’‌
কঙ্গনা যোগীর এই ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়ে বললেন, তিনি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুরোধ জানিয়েছিলেন যাতে দেশে একটি ভারতীয় চলচ্চিত্র শিল্প তৈরি করা যায়। আর তার জন্য বেশকিছু শিল্পকে একত্রিত করতে হবে। যা ব্যক্তিগত পরিচয় নিয়ে আসবে। গোষ্ঠীর পরিচয় নিয়ে না। তিইনি টুইটারে জানালেন, ‘‌হলিউডে এই সুবিধাটি রয়েছে। একটি ইন্ডাস্ট্রি। কিন্তু একাধিক ফিল্মসিটি। মানুষের ধারণা দেশের সবথেকে বড় ইন্ডাস্ট্রকি হল বলিউড। কিন্তু তা না। তেলগু এখন সবথেকে বড় এইদিক থেকে। এবং বহু হিন্দি সিনেমা হায়দরাবাদের রামোজি ফিল্মসিটিতে শুট হয়।’ তারপরে আরেকটি টুইটে তিনি বলেছেন, আটটি সন্ত্রাসের হাত থেকে এই ইন্ডাস্ট্রিকে বাঁচাতে হবে।‌ এক, নেপটিজম সন্ত্রাস। দুই, ড্রাগ মাফিয়া সন্ত্রাস। তিন, নারীবিদ্বেষী সন্ত্রাস। চার, ধর্মীয় ও আঞ্চলিক সন্ত্রাস। পাঁচ, বিদেশি সিনেমার সন্ত্রাস। ছয়, স্বত্ব চুরি করার সন্ত্রাস। সাত, শ্রমিকদের শোষণের সন্ত্রাস। এবং আট, প্রতিভার শোষণের সন্ত্রাস।

জনপ্রিয়

Back To Top