সংবাদ সংস্থা: মুম্বইয়ে জুহু‌র যে বাড়িতে থাকেন তার নাম ‘‌রামায়ণ’‌। বাবার নাম শত্রুঘ্ন। তিন কাকার নাম রাম, লক্ষ্মণ এবং ভরত। যমজ ভাইয়ের নাম লব এবং কুশ। অথচ ‘‌কৌন বনেগা ক্রোড়পতি’তে ‘‌রামায়ণ’‌ নিয়ে সোজাসাপ্টা প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে ঘেমেনেয়ে একশা অভিনেতা–রাজনীতিক শত্রুঘ্ন সিনহা–কন্যা সোনাক্ষী। 
শুক্রবার রাতে কেবিসি–র ওই বিশেষ এপিসোড সম্প্রচারিত হওয়ার পর থেকেই নেটিজেনদের বিদ্রুপ–বাণ একের পর এক আছড়ে পড়েছে সোনাক্ষীর ওপর। ট্রোলিংয়ের ঝড় উঠেছে। কেবিসি–র সঞ্চালক অমিতাভ বচ্চনের সামনে হটসিটে ছিলেন রাজস্থানের এক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার কর্মী রুমা দেবী। যাঁর জীবন ও কাজ অবলম্বনে তৈরি হয়েছে বরুণ ধাওয়ান–অনুষ্কা শর্মা অভিনীত ছবি ‘সুইধাগা’। তাঁকে সাহায্য করতে এসেছিলেন সোনাক্ষী। কিন্তু নিতান্ত সাধারণ কিছু প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে রীতিমত চাপে পড়ে যান। ‌কার জন্য গন্ধমাদন এবং তৎসহ মৃতসঞ্জীবনী বিশল্যকরণী এনেছিলেন হনুমান— এই প্রশ্নের জবাবে অপশন ছিল সুগ্রীব, লক্ষণ, সীতা নাকি রাম? 
প্রতিযোগীকে সাহায্য করতে এসে নিজেই বেজায় ফ্যাসাদে পড়েন সোনাক্ষী। লাইফলাইন অপশনে বিশেষজ্ঞের সাহায্য নিতে হয় তাঁকে। সহকর্মী শত্রুঘ্নর কন্যার ‘জ্ঞান’ বিস্মিত হন অমিতাভও। প্রবীণ অভিনেতা সরাসরিই কন্যাসমা েসোনাক্ষীকে বলেন, তাঁর তো জীবন জুড়েই রাম এবং রামায়ণের ছড়াছড়ি। সোনাক্ষী তখন নিজেই জানান, তাঁর দুই যমজ ভাইয়ের নাম লব–কুশ। অমিতাভ আরও অবাক হয়ে বলেন, তা সত্ত্বেও তিনি কী করে এই সহজ প্রশ্নের জবাব দিতে পারলেন না! 
সোশ্যাল মিডিয়ায় নেটিজেনদের বিস্ময় এবং রসিকতাও তা নিয়েই। হরেক মিম বানিয়ে বলিউডের নায়িকাকে তুমুল তুলোধনা করা শুরু হয়। অনেকে ‘‌কফি উইথ করণ’‌–এ আলিয়া ভাটের অজ্ঞতাপূর্ণ পারফরমেন্সের সঙ্গেও তুলনা করেন সোনাক্ষীর। কেউ কেউ তাঁকে ‘‌বোবা’‌ বলেও উপহাস করেন। 
সোনাক্ষী অবশ্য টুইটে পাল্টা লিখেছেন, ‘‌পিথাগোরাসের থিওরেম ভুলে গেছি। মনে নেই মার্চেন্ট অফ ভেনিসের কাহিনীর খুঁটিনাটি, মুঘল বংশের কালানুক্রমিক সারণি এবং অন্য আরও অনেক কিছু। যদি আপনাদের হাতে কোনও কাজ না থাকে এবং সময়ের কোনও মূল্য না থাকে তবে এরকম আরও মিম বানান। কারণ, আই লাভ মিম্‌স।’‌ 

জনপ্রিয়

Back To Top