Durga Puja: কেমন কাটবে এবার তারকাদের পুজো?

শিবানী পান্ডে: দেবীপক্ষ পড়ে গিয়েছে।

পরিবার, বন্ধু-বান্ধবীদের নিয়ে ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে পড়েছে আমজনতা। কিন্তু করোনা আবহ পেরিয়ে এবার পুজো কীভাবে কাটাবেন আমাদের প্রিয় তারকারা? তারই খোঁজ নিল aajkaal.in। সঙ্গীতশিল্পী রূপঙ্কর জানালেন, “পুজোয় অনুষ্ঠান থাকে বাইরে৷ তাই  পুজোর সময় কলকাতায় থাকা হয়না৷ এবারেও তার অন্যথা হচ্ছে না।” পুজো কীভাবে কাটাবেন জিজ্ঞেস করাতে ছোটবেলায় ফিরে গেলেন অভিনেতা চিরঞ্জিত। “পুজোর দিনগুলো  কীভাবে কাটবে সেটা ভাবতে  গেলেই  ছোটবেলার  স্মৃতিগুলো  আমায় বেশি  নাড়া  দেয়। মা ছোটবেলায়  হাত ধরে  ঠাকুরের  কাছে নিয়ে যেতেন। ঠাকুরের সামনে দাঁড়িয়ে  বলতেন ‘নমো করো’। এখন পুজোর খাওয়া দাওয়া বলতে এক একদিন এক একরকম - কোনোদিন  চাইনিজ, কোনোদিন  বিরিয়ানি, বাড়িতেও রত্না নতুন কিছু বানায়। বন্ধু বান্ধবরা  আসে। তাছাড়া প্রতিবারই আমি পুজোর ক’টা  দিন ঠিক করে নিই কিছু মনের মত কাজ। ভাল লাগে আমার।"
অভিনেতা শাশ্বত চট্টোপাধ্যায় আবার পুজোর সময় চলে যান বাইরে। পরিবার থাকে বাড়িতেই। শুটিংয়ের ক্লান্তি কাটাতে এবারে গোয়েন্দা শবর দাশগুপ্তর প্ল্যান রয়েছে অরুণাচল প্রদেশ যাওয়ার। তার ঠিক উল্টো আবার শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। পুজো মানেই তাঁর কাছে পরিবারের সঙ্গে হই হুল্লোড় করে সময় কাটানো। মাঝে মধ্যে ত্রিধারার প্যান্ডেলে গিয়ে আড্ডা। জানালেন, “শান্তিনিকেতন থেকে আমার দিদি, ভাগ্নে সবাই আসে। কোনো কাজ রাখিনা পুজোতে। পুজোর রান্না  হয়। স্ত্রী, অথবা মা নানানরকম  খাবার বানায়। সবাইমিলে আনন্দ করে একসাথে বসে খাওয়াদাওয়া করি।”
পুজো মানেই শপিং। পুজোর আগে জমিয়ে শপিং করে পুজোটা রাজ্যের বাইরে কিংবা দেশের বাইরেও কাটে গায়িকা ইমন চক্রবর্তীর। তিনি বললেন, “অনেক বছর কলকাতার পুজোয় থাকি না। এবারেও থাকব না। আমেরিকায় চলে যাচ্ছি। আমরা শিল্পী, আমাদের কাজেই আনন্দ সব চাইতে বেশি।” অন্যদিকে পুজোর জাজিং আর ছাত্রছাত্রীদের নাচের প্রোগ্রাম দেখে এবারের পুজো কাটাচ্ছেন অলকানন্দা রায়। তিনি জানালেন, “আমার দুটো ছোট মিষ্টি  নাতনি আছে ,  ওরা আসবে , ওদের সাথে সময় কাটাবো ৷ বাড়িতে বসে ঢাকের আওয়াজ শুনি৷ ভালো লাগে৷ ওটাই পুজোর আনন্দ, অনুভব করবার শ্রেষ্ঠ  উপায় বলে আমার মনে হয়৷ আমার বন্ধুরা সব আমার হাঁটুর বয়সী, ওরা নানানরকম খাবার নিয়ে আসে আমার জন্য ৷ তাছাড়া ঘরে যা রান্না করা হয় সেটাই খাই৷”

আকর্ষণীয় খবর