আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ বলিউডে ইন্দ্রপতন!‌ আচমকাই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন শ্রীদেবী। বয়স হয়েছিল মাত্র ৫৪ বছর। শনিবার রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ মারা যান তিনি। পারিবারিক বিয়ের অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে দুবাইয়ে ছিলেন শ্রীদেবী ও তাঁর পরিবার। অভিনেত্রীর মৃত্যুর সময় তাঁর পাশে উপস্থিত ছিলেন স্বামী বনি কাপুর ও মেয়ে খুশি। শ্যুটিংয়ের কাজে ব্যস্ত থাকায় দুবাইয়ে ছিলেন না বড় মেয়ে জাহ্নবী কাপুর। শ্রীদেবীর আকস্মিক মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমেছে বলিউডে। 
ঘটনায় আকস্মিকতায় এখনও বিহ্বল বনি কাপুরের ভাই সঞ্জয় কাপুর। সংবাদমাধ্যমের কাছে শ্রীদেবীর মৃত্যুর খবর জানিয়ে সঞ্জয় বলেন, ‘‌দুবাইতেই ছিলাম আমি। খবর পেয়ে এখন ফের সেখানেই ফিরে যাচ্ছি। রাত ১১টা থেকে সাড়ে ১১টার মধ্যে ঘটনাটা ঘটেছে। এর বেশি কিছু আমিও এখন জানি না।’‌  
১৯৭৮ সালে ‘‌ষোলওয়া সাওয়ান’‌ ছবি দিয়ে বলিউডে পা রেখেছিলেন শ্রীদেবী। সৌন্দর্য্য ও প্রতিভার অধিকারী এই অভিনেত্রীকে মাত্র ৫ বছরের মধ্যেই জিতেন্দ্রর বিপরীতে ‘‌হিম্মতওয়ালা’‌ ছবিতে দেখা যায়। খুব অল্প সময়ের মধ্যে রুপে ও গুণে দর্শকদের মুগ্ধ করে ফেলেন শ্রীদেবী। হিন্দি ছবির প্রভাবশালী অভিনেত্রীদের তালিকায় চলে আসেন তিনি।

এরপর একে একে ‘‌মালয়ালি’‌ (‌১৯৮৩)‌, ‘‌তোফা’‌ (‌১৯৮৪)‌, ‘‌মিস্টার ইন্ডিয়া’‌ (‌১৯৮৭)‌, ‘‌চাঁদনি’‌ (‌১৯৮৯)‌–র মতো হিট ছবি দিয়ে বক্স অফিসে দাঁপিয়ে বেড়ান তিনি। 
শুধু বাণিজ্যিক ছবি নয়, ‘‌সদমা’‌ (‌১৯৮৩)‌, ‘‌লমহে’‌ (‌১৯৯১)‌–র মতো ছবির মধ্যে দিয়ে অভিনয় দক্ষতারও পরিচয় রেখেছিলেন শ্রীদেবী। প্রযোজক বনি কাপুরকে বিয়ে করার পর দীর্ঘদিন রুপোলি পর্দা থেকে নিজেকে সরিয়ে রেখেছিলেন শ্রীদেবী। ২০১২ সালে ‘‌ইংলিশ ভিংলিশ’‌ ছবি নিয়ে ফের রুপোলি পর্দায় কামব্যাক করেন শ্রী। সেবছরই জিতে নেন সেরা অভিনেত্রীর পুরষ্কার। প্রশংসিত হয় তাঁর অভিনয়। গতবছর ‘‌মম’‌ ছবিতেও দুরন্ত অভিনয়ের ছাপ রেখেছিলেন তিনি। হিন্দি ছবি ছাড়াও দক্ষিণ ভারতের ছবিতেও দাপটের সঙ্গে কাজ করেছেন শ্রীদেবী। মালয়ালম, তেলুগু, তামিল, কন্নড় ছবিতেও অভিনয় করেছেন তিনি। শ্রীদেবীর অকাল প্রয়াণে শোকাহত বলিউড ও তাঁর ভক্তরা। সোশ্যাল মিডিয়ায় শ্রীদেবীকে স্মরণ করে এসেছে বহু পোস্ট।   

 

 

 

 

 

 

 

 

জনপ্রিয়

Back To Top