আজকালের প্রতিবেদন- ‘‌দুবাইয়ে মোহিত মাড়োয়ার বিয়ের পার্টিতে আমিও উপস্থিত ছিলাম তাঁর মেক–আপ করার জন্য’‌, সংবাদ সংস্থাকে এ কথা জানিয়েছেন শ্রীদেবীর মেক–আপ আর্টিস্ট সুভাষ শিন্ডে। জানালেন, শ্রীদেবী ছিলেন প্রচণ্ড ইতিবাচক ও তাঁর ব্যবহারও ছিল বেশ আন্তরিক। নিজের পরিবারের অংশ বলেই মনে করতেন তাঁর সহকারীদের। সুভাষ শিন্ডের কথায়, আমি এখনও বিশ্বাস করতে পারছি না তিনি নেই। আমি দুবাইয়ে তাঁর সঙ্গে ছিলাম। তাঁকে সেদিন দেখতে খুব সুন্দর লাগছিল। বেশ খোশমেজাজেই ছিলেন। আমি অবশ্য ঘটনার দু’‌দিন আগেই বাড়ি ফিরে আসি।
সুভাষ জানিয়েছেন, ইতিবাচক ও আন্তরিক ব্যবহারের অন্যতম উদাহরণ শ্রীদেবী। ২০১২ সালে ‘‌ইংলিশ ভিংলিশ’ মুক্তি পাওয়ার পরই সুভাষ তাঁর মেক–আপ আর্টিস্ট হিসেবে কাজে যোগ দেন। জানালেন, আমাদের মতো সবাইকেই তিনি তাঁর পরিবারের সদস্য হিসেবেই মনে করতেন। বারবার খোঁজ নিতেন, ঠিকমতো খাওয়াদাওয়া সেরেছি কি না বা কোনও অসুবিধেয় পড়েছি কি না। জানালেন, ওঁকে দক্ষ অভিনেত্রী হিসেবেই সবাই চিনতেন। কিন্তু তিনি ছিলেন এক দক্ষ চিত্রশিল্পী। সেই পরিচয় আমি পেয়েছি। তাঁর রঙ নির্বাচন ও ছবিতে আলো–ছায়ার খেলা সম্পর্কে ধারণা ছিল অত্যন্ত স্বচ্ছ। তাঁর পরিহিত অলঙ্কার, পোশাক বা বিন্দিতেও একটা ডিটেলিংয়ের ছাপ থাকত।
শ্রীদেবীর সঙ্গে ‘‌পুলি’ ‌ও ‘‌মম’‌ ছবিতে কাজ করেছেন সুভাষ। সেই প্রসঙ্গে জানিয়েছেন, ‘‌পুলি’ ছবির জন্য তাঁর ‘‌হেভি’ মেক–আপের প্রয়োজন হয়েছিল। অনেক নায়িকাই এই ধরনের মেক–আপ নিতে চান না। কিন্তু শ্রীদেবী কোনও আপত্তি করেননি। শুধু তা–ই নয়, মেক–আপের সময় যে ধৈর্য ও নিষ্ঠার পরিচয় তিনি দিয়েছেন, তা–ও অনুকরণযোগ্য।‌‌

শ্রীদেবীর আঁকা ছবি।

জনপ্রিয়

Back To Top