আজকাল ওয়েবডেস্ক: সময়টা ১৯৭০ সাল। সে সময় বছরে ৬ থেকে ৭টা সিনেমা মুক্তি পেত। প্রতিটা সিনেমাই প্রেক্ষাগৃহে অন্তত ৫০ থেকে ১০০ সপ্তাহ পর্যন্ত হই হই করে চলত। প্রতিদিন হলে উপচে পড়ত ভিড়। কতগুলো হপ্তা ধরে হলে সিনেমা চলত, এই নিরিখে বিচার হত হিট কি না! আর এখন লক্ষ লক্ষ দর্শকের ভিউ ছুঁলেই সেই সিনেমা হিট! তখন আর এখনের পার্থক্য এভাবেই বোঝালেন বিগ-বি। বয়স মনে-না-রেখে চলা মানুষটা সোশ্যাল মিডিয়াতে তরুণদের মতোই অ্যাক্টিভ। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই পুরনো স্মৃতি ভাগ করতে দেখা যায় তাঁকে। যেমন সেভেন্টিজের সঙ্গে ওটিটি দুনিয়ার তুলনা টানতে গিয়ে নিজের পুরনো একটি ছবি পোস্ট করেছেন। সঙ্গে লিখে জানিয়েছেন, 'ডন', 'কসমে ওয়াদে', 'ত্রিশূল', 'মুকাদ্দার কা সিকান্দার', 'গঙ্গা কি সৌগন্ধ' ইত্যাদি সিনেমাগুলি যে বছর মুক্তি পেয়েছিল, সেগুলো অধিকাংশই ৫০ সপ্তাহের বেশিদিন প্রেক্ষাগৃহে ছিল। পুরনো দিনের কথা মনে করে আবেগে ভাসলেও, যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে যে তিনি চলতে জানেন, সেটা আগেই প্রমাণ করে দিয়েছিলেন। ওটিটি প্ল্যাটফর্মে পা রেখেছেন তিনিও। অ্যামাজন প্রাইমে তাঁর অভিনীত 'গুলাবো সিতাবো' সিনে-প্রেমীদের প্রশংসাও কুড়িয়েছে। এর আগেও নিজের ব্লগে অতীতের কথা লিখে জানিয়েছেন তিনি। একবার জানিয়েছিলেন, ভোরের শুট থাকলে আগের দিন সারারাত তাঁর ঘুম আসত না। সংলাপ, মুহূর্ত সবটা মাথার মধ্যে ঘুরপাক খেত। পরের দিন সকালে সবার আগে হাজির হতেন সেটে। প্রোডাকশনের বাকি সদস্যরা বহু দেরিতে আসার জন্য তাঁর কাছে ক্ষমাও চেয়ে নিতেন। সেই অভ্যাস এখনও আছে তাঁর, জানিয়েছেন বিগ-বি। 

Back To Top