আজকাল ওয়েবডেস্ক: ‘‌সত্যজিৎ তাঁর শিল্পভাবনায় মহিলা চরিত্রের চূড়ান্ত প্রতিরূপ হিসেবে আমার মাকেই দেখতেন।’ ‘‌অপুর সংসার’, ‘নায়ক‌’‌, ‘‌অরণ্যের দিনরাত্রি’‌, ‘‌দেবী’‌‌, ‘‌সীমাবদ্ধ’ ছবি দেখার পর শর্মিলা ঠাকুর ও সত্যজিৎ রায়ের জুটির প্রশংসা না করে পারা যায় না। সম্প্রতি জানা গেল, শর্মিলার ছেলে অভিনেতা সইফ আলি খানের কাছে এই ছবিগুলি ও তাঁদের জুটি কতটা গর্বের বিষয়!‌ 
‘‌ইব্রাহিম তো বটেই, এমনকী তৈমুরও অভিনয়কেই পেশা করবে। ইব্রাহিম অনেকদিন ধরেই প্রস্তুতি নিচ্ছে। আর তৈমুর তো এখন থেকেই আমাদের বিনোদনের দায়িত্ব নিয়ে নিয়েছে।’‌ বললেন গর্বিত বাবা সইফ আলি খান। সম্প্রতি একটি পডকাস্টে তাঁর সন্তানদের নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল। তাঁরা কী করতে চান না চান। এর উত্তরে সইফ শ্রোতাদের স্পষ্ট বুঝিয়ে দিলেন যে ইব্রাহিম খুব জলদিই ছবিতে মুখ দেখাতে চলেছেন। সইফের কথায়, ‌তাঁদের পরিবারের প্রায় প্রত্যেক সদস্যেরই এই জগতে অবদান রয়েছে। শুধু তাই নয়। একইসঙ্গে কাব্য, ছবি আঁকা, সাহিত্য জগতের সঙ্গেও আমাদের পরিবারের সুতো বাঁধা। সেই প্রসঙ্গেই নিজের মায়ের কথা তুললেন সইফ। তুললেন সত্যজিৎ রায়ের কথা। ‘আমার মা ১৬ বছর বয়স থেকেই পর্দার সামনে অভিনয় করছেন। তিনি সত্যজিৎ রায়ের সঙ্গে অনেক কাজ করেছেন। প্রায় চার থেকে পাঁচটি অনবদ্য সিনেমা। সত্যজিৎ রায়ের মিউজ ছিলেন আমার মা। সত্যজিৎ তাঁর শিল্পভাবনায় মহিলা চরিত্রের চূড়ান্ত প্রতিরূপ হিসেবে আমার মাকেই দেখতেন।’ এছাড়া শর্মিলা ঠাকুর যে ঠাকুরবাড়ির বংশোধর, সেই কথাও মনে করিয়ে দিলেন অত্যন্ত আনন্দ ও গর্বের সঙ্গে। ‘‌আর সেই সূত্রেই বড় বড় শিল্পী ও চিত্রশিল্পীদের সঙ্গে একটা দীর্ঘ সম্পর্ক রয়েছে আমার মায়ের পরিবারের। আর এদিকে আমার স্ত্রী, প্রাক্তন স্ত্রী, মা, বোন, আমার মেয়ে সবাই অভিনয় শিল্পের সঙ্গে জড়িত। আমার বড় ছেলেরও এদিকে যাওয়ার শখ। তাই আমার ধারণা, তৈমুরও এই পথটিই বেছে নেবে। এবং এতে আমার থেকে খুশি কে হতে পারে!‌ জীবনের প্রথম ১৬, ১৭টা বছর ভীষণ হীনমন্যতায় ভুগতাম। কিন্তু যেদিন থেকে অভিনয় করা শুরু করলাম বড় পর্দায়, আত্মবিশ্বাস ফিরে পেলাম। নিজেকে নিয়ে সন্তুষ্ট হলাম। একটি পরিচয় তৈরি হল আমার। নিজেকে ধ্বংস করার পথ থেকে আমাকে বাঁচাল এই অভিনয় শিল্পই।’‌ ‌ 

জনপ্রিয়

Back To Top