আজকালের প্রতিবেদন: মারণ করোনাকে হারিয়ে জাতীয় চিকিৎসক দিবসের দিন ৯৫ বছর বয়সি এক বৃদ্ধ সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে নজির গড়লেন। রাজ্যে করোনায় সুস্থতার হার ৬৫.‌‌৩৫ শতাংশ।
একেই বলে ‘‌হাল ছেড়ো না বন্ধু’। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের পর এবার ফুলেশ্বরের সঞ্জীবন হাসপাতাল। বুধবার হাসপাতালের ৫০০তম কোভিড রোগী সালকিয়ার বাসিন্দা করোনাকে জয় করে মুক্ত হলেন। এত বেশি বয়সে করোনাকে হারিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরার নজির এ রাজ্যে আর নেই।  চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, মানসিক জোর থাকলে এবং ঠিক সময়ে চিকিৎসা শুরু করলে প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের মোকাবিলা করা সম্ভব। মারণ করোনাকে হেলায় হারিয়ে বাড়ি ফিরতে পেরে খুশি ওই বৃদ্ধ। বার্ধক্যজনিত সমস্যার ওপর করোনা থাবা বসিয়েছিল। ২১ জুন তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ১০ দিন যত্ন এবং চিকিৎসকদের কড়া পর্যবেক্ষণে থাকার পর নিজেকে মুক্ত করেছেন। পরীক্ষা–‌নিরীক্ষার পর, কোনও উপসর্গ না থাকায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এদিন তাঁকে ছুটি দেন। ছুটির সময় হাসপাতালের কর্মীরা করতালি দিয়ে তাঁকে কুর্নিশ জানান। হাসপাতালের অধিকর্তা ডাঃ শুভাশিস মিত্র বলেন, ‘আমাদের কাছে আনন্দের মুহূর্ত। ৫০০তম কোভিড রোগীকে সুস্থ করে ঘরে ফেরাতে পেরে আমরা সকলেই গর্বিত। আমার সকল সহকর্মী এবং সমস্ত ডাক্তারকে কুর্নিশ জানাই ।’‌ এদিকে,রাজ্যে করোনা সংক্রমণ থেকে গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৩৯৮ জন। মোট সুস্থ ১২ হাজার ৫২৮ জন। রাজ্যে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৬১১ জন। রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৯ ,১৭০। বর্তমানে সক্রিয় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৫,৯৫৯।  নতুন করে ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। রাজ্যে মৃতের সংখ্যা ৬৮৩। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে মোট করোনার পরীক্ষা হয়েছে ৪ লক্ষ ৯৭ হাজার ৫৯৬টি। নতুন আক্রান্তের মধ্যে কলকাতায় ২৩৮ জন, উত্তর ২৪ পরগনায় ১৫৩ জন, হাওড়ায় ৭৮, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ৪১, হুগলিতে ১৬ জন।  এদিন পাঁশকুড়ার বড় মা হাসপাতাল থেকে করোনা মুক্ত হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩৪ জন। তাঁদের মধ্যে ৩৩ জন পূর্ব মেদিনীপুরের ও একজন পশ্চিম মেদিনীপুরের বাসিন্দা বলে জানিয়েছেন জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক নিতাইচন্দ্র মণ্ডল।

জনপ্রিয়

Back To Top