তপোধীর ভট্টাচার্য: নাগরিকপঞ্জি নবায়নের নামে অসমে যে ফ্যাসিবাদী তাণ্ডব চলেছে, এর তাৎপর্য বহুমুখী। এখনই সেই সব বিশ্লেষণ করা দরকার। কেন না, মুখ্যত বাঙালি এবং গৌণত অনসমিয়া ক্ষুদ্র ভাষা গোষ্ঠীদের নিশ্চিহ্ন করার জন্যে যে চক্রান্তের জাল তৈরি হয়েছে, তা যদি সফল হয়, দেশবিরোধী অপশক্তি সর্বত্র উৎসাহিত হয়ে উঠবে। ভারতীয় সংবিধানের মৌলনীতিগুলি যদি নস্যাৎ হয়ে যায়, মানবাধিকার ফুৎকারে উড়িয়ে দেওয়া যায়— ভারত কি আর ভারত থাকবে?‌ ১৯৪৭ থেকে যে হিংস্র বাঙালি— বিদ্বেষ, জাতি–‌বৈরতা ও তীব্র অসহিষ্ণুতা অসমের রাজনীতির প্রধান অন্তর্বস্তু হিসেবে মান্যতা পেয়ে গেছে, এর বিষক্রিয়ায় জাতীয় সংহতির বোধ অসাড় হয়ে যেতে বাধ্য। অসম আসলে অন্তর্ঘাতকদের পরীক্ষাগার। ঘৃণা–‌কেন্দ্রিক আধিপত্যবাদ যদি আমলাতন্ত্র, গণমাধ্যম, বিচার‌ব্যবস্থা ও রাজনৈতিক দলগুলির চিন্তাধারাকে লাগাতার অপপ্রচার দিয়ে পক্ষপাতদুষ্ট করে ফেলতে পারে, তাহলে সেই মারণাস্ত্র ভারতের সমস্ত অঙ্গরাজ্যে ভাষিক বা ধর্মীয় সংখ্যালঘুর বিরুদ্ধে ব্যবহৃত হবে। রাষ্ট্রব্যবস্থার নিয়ামকেরা যদি এই সবচেয়ে জরুরি কথাটি না বুঝতে চান, তা হলে দেশের অকল্যাণ রোধ করা যাবে না।
খুবই পরিতাপের কথা যে, প্রবল রাজনৈতিক সচেতনতা থাকা সত্ত্বেও পশ্চিমবঙ্গের সাধারণ মানুষ অসমের ভয়ঙ্কর ঘটনাপ্রবাহ সম্বন্ধে প্রায় সম্পূর্ণ নির্লিপ্ত। অথচ মাত্র একটি প্রজন্ম আগেও নিয়মিত ভাবে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ঘটনাপ্রবাহ সম্পর্কে পশ্চিমবঙ্গের সচেতন মানুষ সুনির্দিষ্ট অবস্থান গ্রহণ করতেন। কিন্তু আশ্চর্যজনক ভাবে অসমে বাঙালি–‌বিতাড়নের তাণ্ডব সামান্য মনোযোগও পাচ্ছে না। অনেকের মধ্যে এমন ধারণাও রয়েছে যে, অসমে অসমিয়া থাকবে না তো কারা থাকবে?‌ কিন্তু অসমের বাস্তব মোটেই সরল অঙ্ক নয়। ২০১১–‌র জনগণনা অনুযায়ী অসমের মোট ৩ কোটি ১২ লক্ষ মানুষের মধ্যে ৯০ লক্ষই বাংলাভাষী হিন্দু–‌মুসলমান। ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, তিন–‌চার পুরুষ আগে পূর্ববঙ্গ থেকে যেসব কৃষক মজুরেরা অসমে পাড়ি দিয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে একটা বড় অংশই জনগণনার সময় আত্মরক্ষার জন্যে নিজেদের মাতৃভাষা পাল্টে নিয়েছিলেন। কিন্তু নাগরিকপঞ্জি নবায়নের সময় দেখা গেল, মুখ্যত বাঙালি মুসলমান সমাজের এই সব মানুষও হয়রানির শিকার। সুতরাং, অসমের নানা প্রান্তে পূর্ববঙ্গ মূল হিন্দু–‌মুসলমানের মধ্যে প্রবল অনিশ্চয়তাবোধ ও আতঙ্ক সক্রিয়। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা অধিকার করা যাদের লক্ষ্য, তারা এই ভয়, উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তাবোধকেই খেয়া পারানির কড়ি হিসেবে ব্যবহার করছে। এটা নিশ্চয়ই আদর্শ গণতন্ত্রের লক্ষণ নয়।
এই বয়ান লিখতে লিখতে দূরভাষে ভেসে এল করিমগঞ্জের লড়াকু বিধায়ক কমলাক্ষ দে পুরকায়স্থের হতাশ কণ্ঠস্বর:‌ ‘‌আজ (‌২রা জুলাই)‌ সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, এনআরসি–‌র নামে অসমের ভাষিক সংখ্যালঘুদের স্বার্থরক্ষার জন্যে আমরা যে মামলা করেছিলাম, তা ৩১ জুলাই পর্যন্ত পিছিয়ে গেছে। আদালত জানিয়েছে, চূড়ান্ত খসড়া বেরবে ৩০ জুলাই। সবচেয়ে মারাত্মক কথা, প্রথম খসড়ায় যাদের নাম ছিল, তাদের মধ্যে দেড় লাখেরও বেশি বাদ পড়বে। রাজ্যিক সমন্বয়ক ১ ও ২ মে যে দুটি আজব ফরমান জারি করেছিলেন, আদালত তাকে অনুমোদন দিয়েছে। আমরা ভীষণ হতাশ।’‌
সত্যিই এই হতাশা সমস্ত ভাষিক সংখ্যালঘুর, বিশেষ ভাবে বাঙালি হিন্দু–‌মুসলমানের। বিচার‌ব্যবস্থায় যদি আর্তের কথা না পৌঁছয় এবং ইতিহাসের প্রকৃত তথ্য উপেক্ষিত হয়— তাহলে বিপন্ন বাঙালি হিন্দু–‌মুসলমান কোথায় দাঁড়াবে?‌ রাজনৈতিক দলেরা নিশ্চুপ, মানবাধিকার কর্মীরা উদাসীন এবং সাধারণ মানুষ বিভ্রান্ত। তার ওপর সুপরিকল্পিত ভাবে চলছে বিভাজনের খেলা। ভারতীয় গণতন্ত্রের মর্যাদা তা হলে থাকল কোথায়?‌ অসমে সেই যে দেশভাগের সময় থেকে বাঙালির প্রতি বিদ্বেষ আঞ্চলিক আধিপত্যবাদের সবচেয়ে প্রিয় অস্ত্র হয়ে উঠল, তা এই ২০১৮ সালে হিংস্র আততায়ীর উল্লাসে পরিণত হয়েছে। তবে ইতিহাসের মহাফেজখানায় এই সবই সভ্য সমাজের বিপরীত চলনের কালো অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত থাকবে— এতে কোনও সন্দেহ নেই। শুধুমাত্র বাঙালি হওয়ার অপরাধে যদি লক্ষ লক্ষ মানুষ নব্য–‌রোহিঙ্গা বা নব্য–‌ইহুদিতে পরিণত হয়, কল্যাণকামী রাষ্ট্রের চরিত্র কি বিশাল প্রশ্নের মুখে দাঁড়িয়ে যায় না?‌ যাঁদের নাম বাদ পড়বে, তাঁদের মধ্যে অনেকেই হয়তো পুরুষানুক্রমে অসমে রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে একটা বড় সংখ্যার মানুষ হয়তো জন্মানোর এক বছরের মধ্যে বার্থ সার্টিফিকেট সংগ্রহ করেননি। ছেলেবেলায় দেখেছি, আমাদের অভিভাবকরাও এ বিষয়ে বিশেষ মাথা ঘামাননি। কিন্তু রাজ্যিক সমন্বয়কের মনে হয়েছে, এই ‘‌ত্রুটি’‌কে কাজে লাগিয়ে হতভাগ্য বাঙালিদের ধনে–‌প্রাণে মারবেন। এবং, বিস্ময়ের কথা এই, এহেন তুঘলকি ফরমানও সর্বোচ্চ আদালতে মান্যতা পেয়ে যায়!‌ শুধু তাই নয়, বাঙালি পরিবারের মধ্যে একজনকেও যদি সন্দেহভাজন ভোটার বলে চিহ্নিত করা যায়, নানারকম প্যাঁচে ফেলে, সেই পরিবারের সমস্ত সদস্য নাগরিকপঞ্জি থেকে বাদ যাচ্ছেন। এবং, এটাও ঘটছে সর্বোচ্চ আদালতের অনুমোদনে!‌ এই কি ন্যায়‌বিচার?‌
আসলে একেবারে শুরুতেই তো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে গেছে, বাঙালিদের কিছুতেই অসমে থাকতে দেওয়া যাবে না। অঙ্কের ফল আগে থেকেই তৈরি;‌ এখন শুধু ধাপগুলো মেলানো হচ্ছে নানারকম গোঁজামিল দিয়ে। যদি কেউ ভাবেন, এই লাখ লাখ মানুষ যাবে কোথায়?‌ এদের কি কুকুর–‌বেড়ালের মতো মনে করা হবে?‌ এর জবাব নেই। কিছুদিন আগে রাজ্যিক ও রাষ্ট্রীয় স্তরের নেতারা হুঙ্কার দিয়েছেন, এই সব রাষ্ট্রহীন জনসমষ্ঠির কোনও অধিকারই থাকবে না। তারা কিংবা তাদের সন্ততিরা স্কুল–‌কলেজে ঠাঁই পাবে না, ব্যবসা করার অনুমতি পাবে না, জমি কেনা বা ঘর তৈরির অনুমতি পাবে না। সম্ভবত তাদের জমি–‌জেরাত, ঘরবাড়ি, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ইত্যাদি সব কিছু কেড়ে নেওয়া হবে। এদের এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় চলাচল বন্ধ করা হবে।
অর্থাৎ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ফ্যাসিবাদী জার্মানিতে যেমন ইহুদিদের ঘেটোয় বন্দি করে রাখা হয়েছিল, বাঙালিদের জন্য সেই চমৎকার ব্যবস্থা এরা ভেবে রেখেছে। ভাবা যায়, স্বাধীন ভারতের একটি অঙ্গরাজ্যে এমন মানবতাবিরোধী জঘন্য চক্রান্ত চলেছে?‌ অথচ পশ্চিমবঙ্গ–‌সহ গোটা ভারত নির্বিকার। বাম–‌দক্ষিণ–‌মধ্যপন্থী বড় ও মাঝারি রাজনৈতিক দলগুলি এত বড় মাপের ঘটনা সম্পর্কে টুঁ–‌শব্দটিও করছে না। কেননা, এরা তো হিন্দু–‌হিন্দি–‌হিন্দুস্তান নীতির প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ পৃষ্ঠপোষক। এবং, বাঙালিরা আবর্জনা মাত্র!‌ তারা নিজেদের অনড় ভোটের অঙ্কে ‌হিন্দু দেখেন, মুসলমান দেখেন কিন্তু মানুষ দেখেন না। মানুষের ওপর বর্বর অত্যাচারের নিদর্শন দেখেন না। দেখেন না অসমে গজিয়ে ওঠা সভ্যতা–‌বিরোধী ডিটেনশন ক্যাম্পগুলি, যা আসলে হিটলারের জমানার কুখ্যাত মৃত্যু–‌শিবিরের ছায়ায় তৈরি। নাগরিকপাঞ্জি নবায়নের নামে ‘‌আউশভিৎস’‌  বা হলোকাস্টের দীর্ঘতর ছায়া দেখতে পান না ভারতীয় গণতন্ত্রের পতাকা–‌বাহকেরা। এতে যে আনতর্জাতিক স্তরে কাঁপন ধরিয়ে দেওয়া প্যালেস্টাইন বা মায়ানমারের উৎখাত রোহিঙ্গাদের মতো, সাম্প্রতিক ইউরোপের বা আফ্রিকার অসহায় ভাসমান জনগোষ্ঠীর মতো লক্ষ লক্ষ বাঙালিকে, শুধুমাত্র বাংলাভাষী হওয়ার অপরাধে, স্বাধীন ভারতে উৎখাত করার চক্রান্ত হয়েছে— এই নিদারুণ তথ্য কি পশ্চিমবঙ্গ–‌সহ বহির্ভারতের গণতন্ত্রপ্রিয় মানুষেরা বা মানবাধিকার কর্মীরা দেখেও দেখবেন না?‌
রাজ্য পুনর্গঠনের সময় বাঙালি–‌অধ্যুষিত এলাকাগুলিকে ইচ্ছেমতো নানা রাজ্যের মধ্যে ভাগ–‌বাটোয়ারা করা হয়েছিল। আত্মবিস্মৃত বাঙালি সেদিন এর পেছনের ষড়যন্ত্রকে বুঝতেই পারেনি। এই জন্যে এখন ওডিশায়, বিহারে, ঝাড়খণ্ডে, উত্তরাখণ্ডে বাংলাভাষীদের অস্তিত্বরক্ষার জন্যে কঠিন লড়াই করতে হচ্ছে। অথচ, একদিকে বিশ্বায়নের দাপট এবং অন্যদিকে হিন্দি–‌হিন্দু–‌হিন্দুস্তান নীতির অক্টোপাসের বাঁধনে বাঙালি খোদ পশ্চিমবঙ্গেই প্রান্তিকায়িত হয়ে যাচ্ছে। মেকি আন্তর্জাতিকতা ও অভ্যন্তরীণ উপনিবেশবাদের কাছে স্বেচ্ছা–‌সমর্পিত বাঙালিরা বুঝতেই পারছেন না, তাঁদের পায়ের নিচের জমি কেঁপে উঠেছে। দেশ জুড়ে বাঙালির জন্যে যে অজস্র জতুগৃহ তৈরি হয়েছে, তার নিকৃষ্ট নমুনা দেখছি অসমে। ‘‌বিদেশি’‌ শনাক্ত করার নামে বাঙালিদের নাগরিক অধিকার–‌সহ নির্বিঘ্নে বেঁচে থাকার অধিকার পর্যন্ত কেড়ে নিতে উদ্যত আঞ্চলিক প্রভুত্ববাদী জহ্লাদেরা। এত বড় ভয়ঙ্কর সন্ত্রাস সম্পর্কে আমরা যদি নীরব থাকি, বঙ্গোপসাগরের সমস্ত জল দিয়েও এই পাপ ধোয়া যাবে না।
অসমে বিদেশি ট্রাইবুনালের নামে যাকে–‌তাকে ধরে নিয়ে একতরফা ভাবে চূড়ান্ত অবিচার করে বন্দি শিবিরে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে প্রায় প্রতিদিনই। অসমে দুই–‌তিন পুরুষ ধরে বসবাস করেও (‌আত্মরক্ষার জন্যে অসমিয়া ভাষাকে গ্রহণ করা সত্ত্বেও)‌ বহু বাঙালি হিন্দু–‌মুসলমান সর্বহারায় রূপান্তরিত হচ্ছেন। তাঁদের আর্তি অসমের জাতিঘৃণার চোরাবালিতে ডুবে যাচ্ছে। ত্রিশ জুলাইয়ের পরে এই সব ছিন্ন–‌বিচ্ছিন্ন হাহাকার যখন লাখ লাখ বিপন্ন বাঙালির কান্নার সুনামিতে রূপান্তরিত হবে, তখনও কি পশ্চিমবঙ্গ–‌সহ বহির্ভারতের সংবেদনশীল মানুষেরা এমনি নীরব ও উদাসীন থাকবেন?‌ ভারত কি ভারত থাকবে তাতে?‌ এই সব অসহায় মানুষের আতঙ্ক বহু গুণ বাড়িয়ে দিচ্চে আসু–‌আলফা–‌সালফা ইত্যাদি সংগঠনের প্রকাশ্য আস্ফালন। আর, সেইসঙ্গে রাজ্যিক প্রশাসনের কর্তাদের দাবিতে মোতায়েন দেড়শো কোম্পানি আধাসামরিক বাহিনী। যাদের অস্তিত্ব মুছে ফেলতে এতখানি উৎসুক রাষ্ট্রশক্তি, তাদের তো কোনও প্রতিপক্ষ নেই। জাতি–‌বিদ্বেষের বলি হচ্ছে যারা, সেই সব জীবন্মৃত ছায়া মানুষদের কেন এত ভয় দেখানো?‌ এই জিজ্ঞাসার কি কোনও সদুত্তর মিলবে কোথাও?‌
নাগরিকপঞ্জি নবায়নের নামে প্রতিটি স্তরে কীভাবে ভারতীয় সংবিধানের মৌলনীতিগুলি নস্যাৎ করা হচ্ছে এবং কীভাবে বিচার‌ব্যবস্থাকে প্রহসনে রূপান্তরিত করা হয়েছে, সেই প্রসঙ্গ বারান্তরে। আপাতত আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রসঙ্গ উল্লেখ করছি। মিত্ররাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের কোনও প্রত্যর্পণ চুক্তি নেই। সুতরাং কুকুর–‌বেড়ালের মতো বাঙালি হিন্দু–‌মুসলমানদের সীমান্তের ওপারে ঠেলে পাঠিয়ে দিতে চাইলে, রোহিঙ্গা–‌সমস্যায় বিধ্বস্ত বাংলাদেশ কি তা মেনে নেবে?‌ ওই দেশের সরকারি ঘোষণায় স্পষ্ট যে, অসমের বাঙালি–‌বিরোধী ঘটনা‌প্রবাহে তাঁরা যথেষ্ট বিচলিত। দ্বিতীয়ত, উত্তর–‌পূর্বাঞ্চলের খুব কাছেই চীন। ভূ–‌রাজনৈতিক অবস্থার বিবেচনায় অসমে সামাজিক অস্থিরতার ক্রমবর্ধমান উপস্থিতি ভারতের জাতীয় স্বার্থে মোটেই কাম্য হতে পারে না। অখণ্ড ভারতের সন্ততি এবং ভারতীয়তার প্রতি সম্পূর্ণ দায়বোধ–‌সম্পন্ন বাঙালি সম্পর্কে যত অস্বস্তিই থাক, আন্তর্জাতিক জনমত–‌সহ জাতীয় স্বার্থকে কি উপেক্ষা করতে পারবে কেন্দ্রীয় সরকার?‌ ‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top